
সুনামগঞ্জের ১৩৭টি হাওরের দুই লক্ষাধিক হেক্টর জমিনের পাকা ধান নিয়ে ত্রাহি অবস্থা কৃষকদের। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টির পানি জমে ফলনের একটা অংশ আগেভাগেই নষ্ট হয়েছে। শেষমেশ শ্রমিক, জ্বালানি ও যন্ত্রের সংকট থাকায় অবশিষ্ট ধান কাটতেও নানা ঝক্কি-ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে পরিচালিত প্রকল্পটি স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।

নড়িয়ায় সেচের শ্যালো ইঞ্জিন মাথায় নিয়ে ডিজেলের জন্য ফিলিং স্টেশনে হাজির হন কয়েকজন কৃষক। ড্রামে তেল বিক্রি বন্ধ থাকায় তাঁরা শ্যালো ইঞ্জিন নিয়ে ফিলিং স্টেশনে আসেন বলে জানা গেছে।