
কৃষি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর নানা উদ্যোগের কথা শোনা যায়; কিন্তু মাঠের চিত্র এখনো তেমন বদলায়নি। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও অর্থনীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র এই খাত অথচ ব্যাংকঋণে এর অংশ খুবই সীমিত। একদিকে কিস্তি আদায়ে কঠোরতা, অন্যদিকে নতুন ঋণ বিতরণে অনীহা—এই দ্বৈত চাপে পড়েছেন কৃষকেরা।

আমন ফসল ঘরে তোলার পর শুষ্ক মৌসুমে অনেক কৃষক বোরো ধান চাষের জন্য জমিতে হালচাষ করছেন, কেউ আবার চারা রোপণ করছেন। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার-ভানুগাছ সড়কের পাশে সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভিন্ন দৃশ্য। তিন ফসলি কৃষিজমি ভরাট করে সড়কের পাশের জমিতে অনেকে বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ করছেন।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার মধ্য চরকুমিরা মাঠে পানির অভাবে বোরো মৌসুমে লাগানো ধানের জমিগুলো ফেটে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রায় ৫০ একর জমিতে ধান আবাদকারী কৃষকেরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি অফিসের পরামর্শ ও প্রণোদনায় সূর্যমুখী চাষ শুরু করি। ফুল ফুটতে শুরু করার পর প্রতিদিনই অনেকেই ছবি তুলতে এসে ফুল ছিঁড়ে নিতেন। এতে বাগান ও পাশের জমির ক্ষতি হচ্ছিল। কয়েকজনকে নিষেধ করেছিলাম। ধারণা করছি, ক্ষোভ থেকেই গভীর রাতে কেউ গাছগুলো কেটে দিয়েছে।’