আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাতলা ফোন মানেই, দুর্বল পারফরম্যান্স—এই ধ্যানধারণা অধিকাংশ ক্রেতার মনে গেঁথে গেছে। একই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায় বিভিন্ন মোবাইল মার্কেটেও। তবে এসব প্রথাগত ধারণা ভেঙে দিতে বাজারে আসছে অপোর ‘এ৫এক্স’ স্মার্টফোন।
বাংলাদেশে শিগগিরই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে ‘এ৫এক্স’ অপো ব্র্যান্ডের এ-সিরিজ লাইনআপের অভিনব এক ডিভাইস। স্মার্টফোন বিষয়ে তথাকথিত ধারণাই পাল্টে দেবে অপোর এই মডেল। এর পুরুত্ব মাত্র ৭ দশমিক ৯৯ মিলিমিটার। এই স্লিক বা পাতলা ডিজাইনের জন্য ডিভাইসের পারফরম্যান্সের সঙ্গে আপস করেনি অপো।
সাধারণত স্লিম ডিজাইনের স্মার্টফোনে ব্যাটারির পারফরম্যান্স হয় গড়পড়তা মানের। তবে এই প্রচলিত ধারায় পরিবর্তন আনতে চায় অপো। তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘এ৫এক্স’-এ রয়েছে শক্তিশালী ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, যা দৈনন্দিন স্ট্রিমিং, অনলাইন শিক্ষায় অংশগ্রহণ, ডিভাইসভিত্তিক কাজ বা সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মতো আধুনিক ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট।
এই স্মার্টফোনের দৃষ্টিনন্দন নকশা সহজেই যে কারও মন কাড়বে। ফোনটি দুটি রঙে পাওয়া যাবে। একটি লেজার হোয়াইট, অপরটি মিডনাইট ব্লু।
বাংলাদেশে অনেক বছর ধরেই একটি ভাবনা প্রচলিত আছে যে পাতলা ফোন সেরা পারফরম্যান্স দিতে পারে না। অপোর ‘এ৫এক্স’ পুরোনো এই ধারণা ভাঙছে। এটি কোনো সাধারণ স্মার্টফোন নয়, বরং এমন একটি ডিভাইস যা পুরোনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়। অপো গ্রাহকদের জানাতে চাইছে—স্টাইল আর কার্যকারিতার মাঝে এখন আর বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আপনি চাইলে দুটোই একসঙ্গে পেতে পারেন। আর তাই, পাতলা স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পারফরম্যান্সের দিক থেকে আপস করতে হবে না।
প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে অন্যতম বৈশ্বিক নেতা অপো। এটি ডিজাইনে নতুনত্ব আনার পাশাপাশি মানুষের চাহিদার কথাও শুনছে। বাংলাদেশের মতো স্মার্টফোন বাজারে গ্রাহকদের বিচিত্র ধরনের চাহিদা রয়েছে। অপো এমন সব ডিভাইস গ্রাহকদের উপহার দিয়ে আসছে, যা শুধু ট্রেন্ড তৈরিই করে না। এর পাশাপাশি পুরোনো ট্রেন্ড ভেঙে সেগুলোকে পুনর্নির্মাণ করে।
‘এ৫এক্স’-এর মাধ্যমে অপো আবারও প্রমাণ করছে উদ্ভাবন বলতে শুধু সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারকে বোঝায় না, তা দীর্ঘ সময়ের কোনো প্রথাগত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করাও হতে পারে। পাতলা ফোনে ব্যাটারি লাইফ কম থাকে বা দীর্ঘস্থায়ী নয়—এমন ধারণার ইতি টানল ‘এ৫এক্স’।

পাতলা ফোন মানেই, দুর্বল পারফরম্যান্স—এই ধ্যানধারণা অধিকাংশ ক্রেতার মনে গেঁথে গেছে। একই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যায় বিভিন্ন মোবাইল মার্কেটেও। তবে এসব প্রথাগত ধারণা ভেঙে দিতে বাজারে আসছে অপোর ‘এ৫এক্স’ স্মার্টফোন।
বাংলাদেশে শিগগিরই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে ‘এ৫এক্স’ অপো ব্র্যান্ডের এ-সিরিজ লাইনআপের অভিনব এক ডিভাইস। স্মার্টফোন বিষয়ে তথাকথিত ধারণাই পাল্টে দেবে অপোর এই মডেল। এর পুরুত্ব মাত্র ৭ দশমিক ৯৯ মিলিমিটার। এই স্লিক বা পাতলা ডিজাইনের জন্য ডিভাইসের পারফরম্যান্সের সঙ্গে আপস করেনি অপো।
সাধারণত স্লিম ডিজাইনের স্মার্টফোনে ব্যাটারির পারফরম্যান্স হয় গড়পড়তা মানের। তবে এই প্রচলিত ধারায় পরিবর্তন আনতে চায় অপো। তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘এ৫এক্স’-এ রয়েছে শক্তিশালী ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, যা দৈনন্দিন স্ট্রিমিং, অনলাইন শিক্ষায় অংশগ্রহণ, ডিভাইসভিত্তিক কাজ বা সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মতো আধুনিক ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট।
এই স্মার্টফোনের দৃষ্টিনন্দন নকশা সহজেই যে কারও মন কাড়বে। ফোনটি দুটি রঙে পাওয়া যাবে। একটি লেজার হোয়াইট, অপরটি মিডনাইট ব্লু।
বাংলাদেশে অনেক বছর ধরেই একটি ভাবনা প্রচলিত আছে যে পাতলা ফোন সেরা পারফরম্যান্স দিতে পারে না। অপোর ‘এ৫এক্স’ পুরোনো এই ধারণা ভাঙছে। এটি কোনো সাধারণ স্মার্টফোন নয়, বরং এমন একটি ডিভাইস যা পুরোনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়। অপো গ্রাহকদের জানাতে চাইছে—স্টাইল আর কার্যকারিতার মাঝে এখন আর বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আপনি চাইলে দুটোই একসঙ্গে পেতে পারেন। আর তাই, পাতলা স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পারফরম্যান্সের দিক থেকে আপস করতে হবে না।
প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে অন্যতম বৈশ্বিক নেতা অপো। এটি ডিজাইনে নতুনত্ব আনার পাশাপাশি মানুষের চাহিদার কথাও শুনছে। বাংলাদেশের মতো স্মার্টফোন বাজারে গ্রাহকদের বিচিত্র ধরনের চাহিদা রয়েছে। অপো এমন সব ডিভাইস গ্রাহকদের উপহার দিয়ে আসছে, যা শুধু ট্রেন্ড তৈরিই করে না। এর পাশাপাশি পুরোনো ট্রেন্ড ভেঙে সেগুলোকে পুনর্নির্মাণ করে।
‘এ৫এক্স’-এর মাধ্যমে অপো আবারও প্রমাণ করছে উদ্ভাবন বলতে শুধু সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারকে বোঝায় না, তা দীর্ঘ সময়ের কোনো প্রথাগত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করাও হতে পারে। পাতলা ফোনে ব্যাটারি লাইফ কম থাকে বা দীর্ঘস্থায়ী নয়—এমন ধারণার ইতি টানল ‘এ৫এক্স’।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিওয়াইডি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তাদের ব্যাটারিচালিত গাড়ির বিক্রি প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে সাড়ে ২২ লাখের বেশি হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির জয়জয়কারের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এর জন্য মূলত সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়ছে। বিশেষ করে কম্পিউটার এবং স্মার্টফোনের অন্যতম প্রধান যন্ত্রাংশ ‘র্যাম’-এর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ২০২৬ সালে প্রযুক্তি পণ্যের বাজারকে অস্থির করে তোলার ইঙ্গিত দিচ্
১২ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পুনরায় সচল হওয়া নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক দূর করতে বার্তা দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৫ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরকে এআইয়ের জন্য ‘স্কেল-আপ ইয়ার’ বললে ভুল হবে না। স্টার্টআপ ফান্ডিং থেকে শুরু করে ডেটা সেন্টার, বিদ্যুৎ এনার্জি অবকাঠামো, জাতীয় নীতি—সবখানে এআই এখন ভূরাজনীতির খেলা।
৪ দিন আগে