আইফোন ও ম্যাকের ডিভাইসে গুগলকে ডিফল্ট (প্রধান) সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে ব্যবহার করে অ্যাপল। এছাড়া আর কোনো ভালো উপায় নেই বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন অ্যাপলের শীর্ষ এক কর্মকর্তা। গুগলের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা বিষয়ক আইন লঙ্ঘনের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে সম্প্রতি এ সাক্ষ্য আসে।
ওয়াশিংটনের আদালতে অ্যাপল সার্ভিসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এডি কিউয়ের সাক্ষ্য উদ্ধৃত করে এপি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্টারনেটে সার্চ করার জন্য গুগলের চেয়ে ভালো পরিষেবা নেই। যখন গুগল ব্যবহার শুরু হয়, তখন আর কোনো টেকসই বিকল্প খুঁজে পায়নি অ্যাপল। অন্য কোনো মাধ্যমের কথা বিবেচনাও করা হয়নি।
গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করার কারণ
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অভিযোগ, প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা কমাতে অ্যাপল, ভেরিজন ও অন্যান্য কোম্পানিকে অর্থ দেয় গুগল। ব্যবহারকারী যাতে ডিভাইস খুলেই সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে পায় এই উদ্দেশ্য থেকে গুগল ওই অর্থ ব্যয় করে।
২০০২ সালে অ্যাপলের সাফারি ব্রাউজারে গুগলকে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে প্রথম ব্যবহার করা হয়। এরপর থেকে এই চুক্তি অনেকবার বাড়ানো হয়। কিউয়ের মতে, গুগলের ওপর বিচার বিভাগের মামলার পর ২০২১ সালে চুক্তিটি সর্বশেষ বাড়ানো হয়।
গুগলের দাবি, বাজারে আধিপত্য বিস্তার করার কারণ হল অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের তুলনায় গুগলেই সেরা। আর ব্যবহারকারীরা চাইলেই কিছু ক্লিকের মাধ্যমে অন্য সার্চ সার্চ ইঞ্জিনে সুইচ করতে পারবে।
উইন্ডোজের ওপর মাইক্রোসফটের আধিপত্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর মামলার ২৫ বছর পর, এটিই যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় মামলা। ২০২০ সালে ট্রাম্প সরকারে আমলে এই মামলাটি প্রথম দায়ের করা হয় এবং ওয়াশিংটন ডিসির ডিস্ট্রিক্ট আদালতে ১২ সেপ্টেম্বর বিচারকাজ শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের একটি ফেডারেল আদালত এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি চলমান দেওয়ানি মামলা বাতিল ঘোষণা করেছেন। মামলার উভয় পক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের আইনি খসড়া বা ‘ব্রিফ’ তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করেছিলেন এবং সেখানে ভুয়া আইনি নথির উল্লেখ ছিল—এমন তথ্য...
১ দিন আগে
ভারতে নিজেদের সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রিয়েল এস্টেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘ওপেনডোর’। কোম্পানির এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন কর্মী চাকরি হারাতে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
প্রযুক্তি দুনিয়ায় একটি বড় প্রশ্ন হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে, নাকি বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এটিকে মুনাফা ও নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে? বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় অনেকের মতে উত্তরটি স্পষ্ট—বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ মানুষের স্বার্থ...
২ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের অন্যতম শীর্ষ স্টার্টআপ অ্যানথ্রপিক তাদের নতুন ও শক্তিশালী মডেল মিথোসের ‘ক্লদ ফেবল–৫’ (Claude Fable 5) ভার্শন চালু করেছে। কোম্পানিটির মতে এখন পর্যন্ত তাদের তৈরি করা সবচেয়ে সক্ষম মডেল এটি। তবে এর সঙ্গে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা কাড়াকাড়ি ও সুরক্ষা বেষ্টনী।
২ দিন আগে