টয়োটার পরে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুন্দাই। গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বে হুন্দাইয়ের অবস্থান চতুর্থ স্থানে। বাংলাদেশে বিশ্ববিখ্যাত হুন্দাই গাড়ির একমাত্র পরিবেশক ফেয়ার টেকনোলজি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কে হুন্দাই ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের বাজারে হুন্দাইয়ের ক্রেটা ২০২৩ এসইউভি নিয়ে আসছে ফেয়ার টেকনোলজি।
এসইউভি ক্যাটাগরি সেগমেন্টের এই অল নিউ ক্রেটা ২০২৩-এ রয়েছে অত্যাধুনিক সব ফিচার। ১ দশমিক ৫ লিটার গ্যাসোলিন ইঞ্জিনের এ গাড়িটির আউটলুক গ্রাহকদের নজর কেড়েছে। অত্যাধুনিক ডিজাইন, রেডিয়েটর গ্রিল ও ইউনিক ডিআরএলের তৈরি এ গাড়িতে রয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা। লেদার সিটের এই গাড়িটিতে আরও পাওয়া যাবে ১৭ ইঞ্চি ডায়মন্ড অ্যালয় রিম, প্যানারোমিক সান রুফ এবং ১০ দশমিক ২৫ ইঞ্চির অত্যাধুনিক ক্লাস্টার। সঙ্গে রয়েছে কন্টিনিউয়াস ভ্যারিয়েবল ট্রান্সমিশনসহ আরও অনেক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
ফেয়ারের মতে, মেইড ইন বাংলাদেশ হুন্দাইয়ের যাত্রীবাহী গাড়িটি আগামী বছরের শুরুর দিকে রাস্তায় নামবে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গাড়ির সঙ্গে থাকছে অরিজিনাল পার্টস ও বিক্রয়-পরবর্তী সুবিধা। ঢাকার যানজটের কথা বিবেচনায় রেখে এক লিটার অকটেনে এই গাড়ির মাইলেজ থাকবে ৮ থেকে ৯ কিলোমিটার, যা লং ড্রাইভে দেবে ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার মাইলেজ। গাড়িটি প্রথমে কালো, নীল ও গ্রে তিনটি রঙে পাওয়া যাবে। গাড়িটির দাম রাখা হয়েছে ৪৩ দশমিক ৫ লাখ টাকা।

গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
৯ ঘণ্টা আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
১১ ঘণ্টা আগে
একসময় যা ছিল কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে থাকা যুদ্ধ, তা এখন আক্ষরিক অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা—সবই এখন হ্যাকারদের নখদর্পণে। ফলে এখন আপনার মনে হতেই পারে, কেউ সারাক্ষণ আপনাকে চোখে চোখে রাখছে!
১২ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। পরিত্যক্ত খনি এলাকাগুলোকে সবুজ জ্বালানি ও টেকসই শিল্পকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এর উদাহরণ দেখা যাচ্ছে হুবেই প্রদেশের তাইয়্য শহরে।
১২ ঘণ্টা আগে