খোদ যুক্তরাষ্ট্রে এবার আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি মেটা! হ্যাঁ, ভুল শোনেননি। কিশোর-কিশোরীদের ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এবং শিশুদের গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই অভূতপূর্ব আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা। ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্কসহ আমেরিকার ৩০টি অঙ্গরাজ্য ২০২৩ সালে মেটার বিরুদ্ধে এই সম্মিলিত মামলাটি করেছিল। মামলাটিতে মেটার কাছ থেকে ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করা ছাড়াও ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের পরিচালন পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তনের আদেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
রাজ্যগুলোর দাবি, কম বয়সী ব্যবহারকারীদের অ্যাপে ধরে রাখতে ও আসক্ত করতে মেটা বিভিন্ন ডোপামিন-ম্যানিপুলেটিং বা প্রলোভন সৃষ্টকারী অ্যালগরিদম ব্যবহার করেছে। এর ফলে তরুণদের মধ্যে বিষণ্নতা, একাকিত্ব ও নেতিবাচক মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বেড়েছে। মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোতে যেসব পরিবর্তন আনতে জোর দাবি জানানো হচ্ছে, সেগুলো হলো—
এর আগে নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করে পাবলিক নুইসেন্স বা জন-উপদ্রব হিসেবে ঘোষণা দেন। তবে মেটা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তরুণদের সুরক্ষিত রাখতে তারা বরাবরই অঙ্গীকারবদ্ধ।

দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সফল হওয়ার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইংরেজি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। সিউলের একজন প্রকৌশলী, আবুধাবির উদ্যোক্তা, সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা প্যারিসের ব্যাংকার—নিজের মাতৃভাষা যা-ই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কূটনীতিতে প্রতিযোগিতা করতে ইংরেজি...
১৬ ঘণ্টা আগে
মাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বৈজ্ঞানিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ নিকন ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার এবারের বিজয়ী ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতার অন্য কয়েকজন বিজ্ঞানী অভিযোগ করেছেন, বিজয়ী ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এমন ব্যবহার হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার নিয়মের...
২ দিন আগে
এআই মডেলকে জৈব অস্ত্র তৈরি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তর বের করেছে চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। এআই নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এ ঘটনা। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চীনের এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মুনশটের একদল গবেষক নিজেদের জনপ্রিয় দুটি ‘কিমি’ (Kimi) এআই মডেলকে প্রলুব্ধ করে
৩ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা একটি স্বেচ্ছাধীন চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ‘জয়েস কমেন্টমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপন্সিবিলিটিজ’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে
৩ দিন আগে