
বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবার গেমারদের জন্য নিয়ে আসছে আলাদা গেমিং অ্যাপ। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের খ্যাতনামা সাংবাদিক মার্ক গুরম্যানের বরাতে জানা গেছে, অ্যাপলের এই নতুন গেমিং অ্যাপ চলতি বছরের শেষ দিকে আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক এবং অ্যাপল টিভিতে প্রি-ইনস্টল করা থাকবে।
গুরম্যান জানিয়েছেন, নতুন এই অ্যাপ হবে একটি কেন্দ্রীয় হাব, যেখানে ব্যবহারকারীরা গেম চালু করতে পারবেন, তাঁদের ইন-গেম অ্যাচিভমেন্ট দেখতে পারবেন এবং নতুন গেম সম্পর্কে অ্যাপলের নিজস্ব সম্পাদকীয় কনটেন্ট পড়তে পারবেন।
অ্যাপটির মাধ্যমে অ্যাপ স্টোরের গেম সেকশনে সহজে প্রবেশ করা যাবে। একই সঙ্গে অ্যাপল আর্কেড প্রচারে গুরুত্ব দেবে এই অ্যাপ। গেম সেন্টার নামের অ্যাপলের পুরোনো সামাজিক গেমিং প্ল্যাটফর্মটির পরিবর্তে এটি চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন গুরম্যান।
নতুন এই গেমিং অ্যাপে থাকবে ব্যবহারকারীর অর্জন, লিডার বোর্ড, অন্যান্য খেলোয়াড়ের বার্তা এবং সাম্প্রতিক কার্যকলাপ দেখার সুযোগ। ম্যাক সংস্করণে অ্যাপ স্টোরের বাইরে থেকে ডাউনলোড করা গেমও দেখা যাবে বলে জানা গেছে।
আগামী জুন মাসে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলন ডব্লিউডব্লিউডিসি ২০২৫-এ নতুন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ১৯-এর সঙ্গে অ্যাপটির প্রিভিউ দেখানো হতে পারে। নতুন আইফোনের সঙ্গে সেপ্টেম্বর মাসে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হতে পারে।
কোম্পানিটি সম্ভবত গেমিংকে অ্যাপ স্টোর থেকে আলাদা করে একটি কেন্দ্রীয় হাব তৈরি করতে চাইছে, যাতে ব্যবহারকারীরা সহজেই গেম খুঁজে পেতে ও ডাউনলোড করতে পারেন।
অ্যাপল সম্প্রতি ‘স্নিকি সাসকোয়াচ’-এর নির্মাতা গেমিং স্টুডিও আরএসি ৭ গেমস অধিগ্রহণ করেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। পাশাপাশি, ‘ডেথ স্ট্র্যান্ডিং’, ‘অ্যাসাসিনস ক্রিড মিরাজ’ এবং ‘রেসিডেন্ট ইভিল ভিলেজ’-এর মতো জনপ্রিয় গেম ইতিমধ্যে আইফোনে চালু হয়েছে, যা অ্যাপলের গেমিং জগতে প্রবেশের আরও একটি প্রমাণ।
আরও জানা গেছে, আরএসি ৭-কে অ্যাপলের অন্য কোনো টিমের সঙ্গে একীভূত করা হচ্ছে না; বরং এটি স্বাধীন গেমিং স্টুডিও হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবে।
তথ্যসূত্র: দ্য ভার্জ ও ম্যাক রিউমার

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৩ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৫ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৫ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৬ দিন আগে