
টেসলার জন্য নতুন লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন করতে যাচ্ছে প্যানাসনিক। ২০২৩ সালের প্রথম দিকে এ প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে জাপানের এই প্রতিষ্ঠানটি। নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ প্রকল্পে মোট ৭০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে প্যানাসনিক। তাদের এই পাওয়ার প্যাকটি বৈদ্যুতিক যানবাহনকে গাড়ি চালকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সাহায্য করবে।
প্যানাসনিকের পক্ষ থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলা হয়েছে, এ বছরেই লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে ব্যাপক হারে উৎপাদনের আগেই ভুল ত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়া যাবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যানাসনিক গত অক্টোবরে ৪৬৮০ ফরম্যাট ব্যাটারি (৪৬ মিলিমিটার চওড়া ও ৮০ মিলিমিটার লম্বা) উন্মোচন করেছে। যা বর্তমানে টেসলাকে সরবরাহ করা ব্যাটারির চেয়ে প্রায় পাঁচগুণ বড়। প্রতিষ্ঠানটির এ উৎপাদন প্রকল্প টেসলার উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিম জাপানের ওয়াকায়ামা প্রিফেকচারের একটি প্ল্যান্টে ৪৬৮০ মডেলের ব্যাটারির উৎপাদন কাজ শুরু করবে প্যানাসনিক। উন্নত টেসলা ব্যাটারির একমাত্র প্রস্তুতকারক নাম রয়েছে প্যানাসনিকের। এ প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তার দামি মডেলের জন্য চীন ও বিশ্বের অন্যান্য জায়গা থেকেও ব্যাটারি সরবরাহ করে থাকে টেসলা ইনকরপোরেশন।
প্রযুক্তি সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) গবেষক নাটালিয়া কসমিনা একজন ইন্টার্ন খুঁজছিলেন। বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর তিনি বেশ কিছু সিভি এবং কাভার লেটার পেলেন। এরপর সেগুলো পড়তে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি দেখলেন, আবেদনকারীদের কভার লেটারগুলো একই রকম!
৫ ঘণ্টা আগে
চীনা বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের নতুন তরল ইলেকট্রোলাইট তৈরি করেছেন, ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হলে যা মুহূর্তেই কঠিন হয়ে যায়। এতে একধরনের ‘ফায়ারওয়াল’ তৈরি হয় এবং সম্ভাব্য বিস্ফোরণের আগেই বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার এনার্জি’তে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তিবিশ্বের এক মহিরুহের বিদায়ঘণ্টা বাজল। দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের সফল যাত্রার পর অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন টিম কুক। গতকাল সোমবার অ্যাপল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিবর্তনের কথা নিশ্চিত করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গণনা করার অসাধারণ ক্ষমতার কারণে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন শকুন্তলা দেবী। তিনি পরিচিতি লাভ করেন ‘মানব কম্পিউটার’ নামে। বিস্ময়কর প্রতিভার জন্য ১৯৮২ সালে ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ অন্তর্ভুক্ত হয় তাঁর নাম।
৭ ঘণ্টা আগে