কেমন হবে যদি আপনার হাতে এমন একটি স্মার্টফোন থাকে, যেটি আপনি ইচ্ছেমতো মেরামত করতে পারেন! ব্যাটারি খুলতে পারবেন, ডিসপ্লে এবং ইউএসবি-সি পোর্টসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলতে পারবেন। প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করতে পারবেন। একসময় বাটন ফোনগুলোতে ব্যাটারি খোলা যেত। স্মার্টফোনের যাত্রা শুরুর যুগেও কিছু কিছু মোবাইল ফোনসেটের পেছনের অংশ খোলা যেত। কিন্তু ধীরে ধীরে তা হারিয়ে গেল। দীর্ঘ দিন পর ফেয়ারফোন নামে একটি প্রতিষ্ঠান এমন মোবাইল ফোন নিয়ে কাজ করছে, যা ব্যবহারকারী নিজে থেকে মেরামত করতে পারবেন।
ভাঙা স্মার্টফোন বদলে নতুন কেনার বদলে যদি একটি স্মার্টফোন বছরের পর ব্যবহার করা যায়, তাহলে মন্দ হয় না। ডাচ প্রযুক্তি সংস্থা ফেয়ার ফোন তাই এমন একটি স্মার্টফোন বাজারে এনেছে, যা ব্যবহারকারীরা খুলতে, মেরামত করতে এবং বছরের পর বছর ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ মডেল, ফেয়ার ফোন জেন ৬ প্লাস। চলতি বছরের আগস্ট মাসে এটি বাজারে ছাড়া হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, মোবাইল ফোনটির পারফরম্যান্স উন্নত করার পাশাপাশি তারা এর মেরামতযোগ্যতার দিকেও মনোযোগ রেখেছে।
ফেয়ার ফোন ও সাধারণ স্মার্টফোনের মধ্যে বড় পার্থক্য হলো এর মডিউলার ডিজাইন। কোনো একটি যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেলে পুরো ফোনসেটটি বদলানোর পরিবর্তে ব্যবহারকারীরা এর আলাদা আলাদা অংশ প্রতিস্থাপন করতে পারবেন। জেন ৬+ ফোনটিতে ব্যাটারি, ডিসপ্লে এবং ইউএসবি-সি পোর্টসহ মোট ১২টি যন্ত্রাংশ রয়েছে, যা ব্যবহারকারী নিজেই পরিবর্তন করতে পারবেন। ফেয়ার ফোন প্রতিস্থাপনযোগ্য যন্ত্রাংশ এবং মেরামতের নির্দেশনাও দিয়েছে। ফোনটি একটিমাত্র টর্ক্স টি৫ স্ক্রুড্রাইভার ব্যবহার করে খোলা যায়। ফলে কোনো বিশেষজ্ঞ বা মেরামতের দোকানে না গিয়েই মেরামত করা সম্ভব।
একটি স্মার্টফোনের আসল মূল্য নির্ভর করে সেটি কত দিন টিকবে তার ওপর, বেঞ্চমার্কে কত নম্বর পেল তার ওপর নয়। ফেয়ার ফোনের সর্বশেষ সংস্করণ জেন ৬ প্লাস-এ আছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪ প্রসেসর, ১২ জিবি র্যাম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ। আছে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করার স্লট। এতে আছে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটসহ একটি ৬ দশমিক ৩১ ইঞ্চি ওএলইডি ডিসপ্লে এবং একটি ৪ হাজার ৪১৫ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এই ব্যাটারি বাটন ফোনের মতো খুলে ফেলা যায়। ক্যামেরা হিসেবে এতে রয়েছে একটি ৫০-মেগাপিক্সেলের মূল সেন্সর এবং একটি ১৩-মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড সেন্সর। ফোনটি আগে ডিগুগল অপারেটিং সিস্টেমে চললেও এখন ওপেন সোর্স নির্ভর একটি ওএস ব্যবহার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনটি আইপি ৫৫ রেটিং পেয়েছে। অর্থাৎ এটি বৃষ্টি ও তরল ছিটকে পড়া সহ্য করতে পারলেও সুইমিং পুলে ডুবিয়ে রাখলে চলবে না।
ফেয়ার ফোন সফটওয়্যার সাপোর্টেরও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। ফলে ব্যবহারকারীরা প্রতি দুই বা তিন বছর পরপর ফোন আপগ্রেড না করে, একই ফোন আরও অনেক দিন ধরে ব্যবহার করার একটি সুযোগ পাচ্ছেন। স্মার্টফোনে অনেক মূল্যবান উপাদান থাকে। কিন্তু প্রতিবছর লাখ লাখ ডিভাইস ইলেকট্রনিক বর্জ্যে পরিণত হয়। একটি ফোন হয়তো ভেঙে গেলে তখনো পুরোপুরি ঠিকঠাক কাজ করতে পারে। তাই ফেয়ার ফোনের দর্শন খুবই সহজ, ডিভাইসটিকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করা। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, জেন ৬ প্লাস ফোনটিতে ৫১ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর নকশাটি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে ঘন ঘন স্মার্টফোন বদলানোর ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব কমে। ফোনটির সঙ্গে পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টি রয়েছে।

মানুষ এখন পৃথিবী ছাড়িয়ে চাঁদ, চাঁদ ছাড়িয়ে মঙ্গল কিংবা অন্যান্য গ্রহেও উঁকি দেয়। কিন্তু অবাক করা তথ্য হলো, মহাকাশে মানুষের উপস্থিতির পথ সহজ করেছিল বেশ কিছু প্রাণী! পাঠ্যবই থেকে লাইকা নামের ছোট্ট রুশ কুকুরের কথা আমরা জানি। কিন্তু তথ্য বলছে, শুধু লাইকা নয়।
২১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির সুসজ্জিত ল্যাব আর বিশাল অঙ্কের গবেষণার বাজেট। সেই সম্ভাবনার জায়গা পেছনে ফেলে আশির দশকে একজন বিজ্ঞানী এসে নামলেন কানাডার টরন্টোতে। সহকর্মীরা অনেকেই তখন আড়ালে হেসেছিলেন। অনেকেই অবাক হয়েছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
১৯ শতকে বিজ্ঞানী এডিসনের আমল থেকে যেকোনো যান্ত্রিক ত্রুটিকে ‘বাগ’ বলা হতো। কিন্তু কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সত্যি সত্যিই একটি মরা পোকা পাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল একদিন। ১৯৪৭ সালের ৯ অক্টোবর একটি পোকা থামিয়ে দিয়েছিল কম্পিউটারের কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
গত মাসে চীনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমসে রোবটদের লাফাতে, বক্সিং করতে এবং নাচতে দেখা গেছে। এমনকি কিছু দ্রুতগতির রোবট ১০০ মিটার দৌড়ে উসাইন বোল্টের চেয়েও দ্রুত ছুটেছে। রোবটগুলোর ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা এবং তাদের মজার ও মিম টেমপ্লেট হওয়ার মতো হোঁচট খাওয়ার দৃশ্য দেখে দর্শকেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ
১৭ ঘণ্টা আগে