১৯ শতকে বিজ্ঞানী এডিসনের আমল থেকে যেকোনো যান্ত্রিক ত্রুটিকে ‘বাগ’ বলা হতো। কিন্তু কম্পিউটারের ক্ষেত্রে সত্যি সত্যিই একটি মরা পোকা পাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল একদিন। ১৯৪৭ সালের ৯ অক্টোবর একটি পোকা থামিয়ে দিয়েছিল কম্পিউটারের কাজ। আর এটিই ছিল সত্যি কোনো বাগ বা পোকা পাওয়ার ঘটনা!
সেদিন কম্পিউটারের সমস্যা সমাধানে কোনো কোড লিখতে হয়নি। প্রয়োজন হয়েছিল একটা চিমটা বা ট্যুইজার। ঘটনাটি ঘটেছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড মার্ক ২ কম্পিউটারে। অতিকায় এই কম্পিউটারটির সার্ভিসিং চলাকালীন হঠাৎ দেখা গেল পুরো সিস্টেম অচল। টিমের সদস্যরা হন্যে হয়ে কারণ খুঁজতে লাগলেন। অবশেষে গন্ডগোলটি ধরা পড়ল রিলে নম্বর ৭০-এ। স্রেফ একটি মথ ঢুকে রিলের দুটো কন্টাক্টের মাঝে আটকে পড়ে পুরো কাণ্ড ঘটিয়েছিল। অপারেটর উইলিয়াম বিল বার্ক এবং সফটওয়্যার জগতের পথিকৃৎ ফ্রান্সিস বিলি স্পেন্সসহ দলের অন্য সদস্যরা চিমটা দিয়ে মরা পোকাটি বের করে এনেছিলেন। ঘটনাটিকে স্মৃতি স্মারক বানাতে তাঁরা লগবুকের ৯২ নম্বর পাতায় সেলোটেপ দিয়ে মথটিকে আটকে দেন। পাশে লিখে রাখেন ঐতিহাসিক সেই লাইন ‘ফার্স্ট অ্যাকচুয়াল কেস অব বাগ বিং ফাউন্ড।’
যদিও পরে প্রখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী গ্রেস হপার গল্পটি এত চমৎকারভাবে প্রচার করেন যে কম্পিউটার বিজ্ঞানে বাগ আর ডিবাগিং শব্দ দুটি চিরকালের জন্য অমর হয়ে যায়। ঐতিহাসিক সেই পোকাসহ লগবুকের পাতাটি আজও ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রিতে সযত্নে সংরক্ষিত রয়েছে।

জার্মানিতে এক কিশোরীকে যৌন হয়রানিতে রোবট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লাল ও সোনালি রঙের একটি রোবট জব্দ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর ও ১৯ বছর বয়সী এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের একটি কার্যালয়ে গোপনে রেকর্ডিং যন্ত্র বসানোর অভিযোগ উঠেছে এক সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত কার্যালয়ে এ যন্ত্রটি বসানো হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় কৌঁসুলিরা।
১ দিন আগে
মার্কিন সরকারের রপ্তানি বিধিনিষেধ এবং চীনের স্থানীয় চিপ নির্মাতাদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে মার্কিন চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে কোম্পানিটি।
২ দিন আগে
উপস্থাপনার স্লাইড থেকে শুরু করে কণ্ঠস্বর তৈরি, ছবি আঁকা, তথ্য অনুসন্ধান, কোডিং এবং দৈনন্দিন কাজের সহায়তা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢুকে পড়েছে এআই টুলস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতা, সৃজনশীল কাজের ধারা এবং ডেভেলপারদের কাজের পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। সাধারণ চ্যাট ইন্ট
৩ দিন আগে