অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে অন্য অ্যাপের ফিচার সম্পর্কে জানাতে বা কোনো লম্বা চ্যাট শেয়ার করার জন্য স্ক্রিনশটের ছেয়ে স্ক্রিন রেকর্ড বেশি কার্যকরী। আইফোনেও স্ক্রিন রেকর্ডের অপশন রয়েছে। তাই থার্ড পার্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।
খুব সহজেই আইফোনে স্ক্রিন রেকর্ড করা যায়। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
১. আইফোনের সেটিংস থেকে কন্ট্রোল সেন্টার অপশনে প্রবেশ করুন। এরপর ‘+’ আইকোনে ট্যাপ করে বিভিন্ন ফিচারের তালিকা থেকে স্ক্রিন রেকর্ড ফিচারটি যুক্ত করুন। এর মাধ্যমে প্রতিবার স্ক্রিন রেকর্ড পদ্ধতিটি সহজ হয়ে যাবে।

২. আইফোনের নতুন মডেলগুলোতে কন্ট্রোল সেন্টার চালু করার জন্য ডানপাশের কোনা থেকে আঙুলের মাধ্যমে সোয়াইপ করুন। আর পুরোনো মডেলগুলোতে নিচের থেকে আঙুলের মাধ্যমে সোয়াইপ করুন।

৩. কন্ট্রোল সেন্টার মেনুতে একটি লাল রঙের গোলাকার রেকর্ডিং বাটন দেখা যাবে। এতে ট্যাপ করুন। এর ফলে আইফোনে ৩ সেকেন্ড পার হলেই স্ক্রিন রেকর্ড শুরু হবে। আইফোনে একটি স্বচ্ছ লাল ডট দেখা গেলে বোঝা যাবে যে, স্ক্রিন রেকর্ড শুরু হয়েছে।

৪. রেকর্ড শুরু হলে ফোনের যে বিষয় রেকর্ড করতে চান সেসব জায়গায় প্রবেশ করুন। আপনার ফোনে এখন যাই করবেন তাই রেকর্ড হবে। রেকর্ড বন্ধের জন্য স্ক্রিনের ওপরে থাকা লাল ডটটিতে আবার ট্যাপ করুন।

৫. স্ক্রিন রেকর্ডটি আইফোনের গ্যালারিতে সেভ হয়ে থাকবে। গ্যালারিতে প্রবেশ করে ভিডিওটি কাট, ক্রপ ও ফিল্টার অপশনের মাধ্যমে এডিট করা যাবে।
তথ্যসূত্র: ম্যাশাবল

১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ফ্রান্সের আইনপ্রণেতারা। গতকাল মঙ্গলবার এই ভোট গ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম দেশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য এমন বয়সসীমা নির্ধারণ করল ফ্রান্স।
২ ঘণ্টা আগে
২০১৬ সালের কথা। দেশের গমচাষিরা হয়তো এখনো ভুলে যেতে পারেননি সেই দুঃস্বপ্নের কথা। একদিন সকালে তাঁরা খেতে গিয়ে দেখতে পেলেন, সবুজ-সোনালি শিষগুলো রাতারাতি সাদা হয়ে গেছে। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে জানা গেল, এশিয়ার মাটিতে এই প্রথম হানা দিয়েছে গমের ব্লাস্ট রোগ।
১ দিন আগে
সৃষ্টির জন্য বয়স যে কোনো সমস্যা নয়, তার বহু উদাহরণ আছে পৃথিবীতে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ মানা জাম্পালা। এআই প্রযুক্তির যুগে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মানা যে এই প্রযুক্তিতে কিছু করে ফেলবে, সেই রাস্তা যেন তৈরিই ছিল।
১ দিন আগে
সাধের ওয়াই-ফাই কানেকশনটি হুটহাট স্লো হয়ে যাওয়া কিংবা বাফারিং করা এক চরম বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেক সময় আমরা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা রাউটারকে দোষ দিই। কিন্তু ১৯৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম বড় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরির কারিগর কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালেক্স হিলস জানান...
১ দিন আগে