
মোবাইল হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন জানায়, ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটে অন্য কারও সিম ব্যবহার অথবা হ্যান্ডসেটটি হস্তান্তরের আগে ডি-রেজিস্ট্রেশন (এনআইডি থেকে সেটটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল) করতে হবে। অন্যথায়, সিমকার্ড হ্যান্ডসেটটিতে কাজ করবে না।
বিটিআরসির এই নিয়ম বা পদ্ধতির ফলে দেশের কোটি কোটি সাধারণ গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়বে বলে মনে করছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নিয়মের ফলে হঠাৎ নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যোগাযোগ, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন শিক্ষা, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও জরুরি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং বৈধভাবে ক্রয়কৃত বহু গ্রাহকও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাজার ও আমদানি পর্যায়ে অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ না করে সরাসরি গ্রাহকের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট বন্ধ করা ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী। এ সমস্যার সমাধানে গ্রাহকবান্ধব বিকল্প ব্যবস্থা, সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও পর্যাপ্ত সময় দিয়ে বৈধকরণের সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। সেই সঙ্গে ডি-রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি বাতিল করে গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছে তারা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিল্পে ডেটাসেন্টার নির্মাণের দ্রুত বিস্তার এবং এর ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের দাম বাড়িয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। গতকাল বৃহস্পতিবার কোম্পানিটি জানায়, এতদিন তারা বাড়তি খরচ নিজেরা বহন করে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমিয়ে রেখেছিল, কিন্তু বর্তমান
২০ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার বা ‘লক্ষ কোটিপতি’ হওয়ার গৌরব অর্জনের মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় সেই খেতাব হারালেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে অভিষেকের পর তৈরি হওয়া বিপুল উন্মাদনা কেটে যাওয়ার পরপরই তাঁর এই সম্পদহানি ঘটেছে।
২ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি মানবজাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেবে—এমন দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তবে জাতিসংঘের (ইউএন) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য।
৩ দিন আগে
এতদিন কুনাল শাহ নামটি মূলত ভারতের স্টার্টআপ এবং বিনিয়োগকারীদের বৃত্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভারতীয় ফিনটেক জায়ান্ট ‘ক্রেড’ (Cred)-এর এই প্রতিষ্ঠাতা শুধু ব্যবসাই করেননি, বরং নিজের পডকাস্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা তাত্ত্বিক পোস্টের মাধ্যমে প্রযুক্তি মহলে একটি বড় অনুসারী দল তৈরি করেছিলেন।
৩ দিন আগে