ইমোসহ ১৪টি মেসেজিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০২০-এর ৬৯(এ) ধারায় অ্যাপগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মূলত জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।
ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ হওয়া অ্যাপগুলো হলো—ইমো, ক্রিপভাইজার, এনিগমা, সেফসউইস, উইকর্ম, মিডিয়াফায়ার, ব্রায়ার, বিচ্যাট, ন্যান্ডবক্স, কনিয়ন, এলিমেন্ট, সেকেন্ড লাইন, জাঙ্গি ও থ্রিমা।
গোয়েন্দা সদস্যরা দাবি করেছেন, এসব অ্যাপ ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদ ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গিরা তাদের সমর্থক এবং গোপনে কাজ করা সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। এ ছাড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি, খবরাখবর পাচারের কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছিল এসব অ্যাপ।
এর আগে ভারত সরকার প্রায় ২৫০ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল। জনপ্রিয় মোবাইল গেম পাবজি ও ফ্রি ফায়ারও নিষিদ্ধ করে ভারত।

দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সফল হওয়ার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইংরেজি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। সিউলের একজন প্রকৌশলী, আবুধাবির উদ্যোক্তা, সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা প্যারিসের ব্যাংকার—নিজের মাতৃভাষা যা-ই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কূটনীতিতে প্রতিযোগিতা করতে ইংরেজি...
১০ ঘণ্টা আগে
মাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বৈজ্ঞানিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ নিকন ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার এবারের বিজয়ী ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতার অন্য কয়েকজন বিজ্ঞানী অভিযোগ করেছেন, বিজয়ী ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এমন ব্যবহার হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার নিয়মের...
১ দিন আগে
এআই মডেলকে জৈব অস্ত্র তৈরি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তর বের করেছে চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। এআই নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এ ঘটনা। বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চীনের এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মুনশটের একদল গবেষক নিজেদের জনপ্রিয় দুটি ‘কিমি’ (Kimi) এআই মডেলকে প্রলুব্ধ করে
৩ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা একটি স্বেচ্ছাধীন চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ‘জয়েস কমেন্টমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপন্সিবিলিটিজ’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে
৩ দিন আগে