ইমোসহ ১৪টি মেসেজিং অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০২০-এর ৬৯(এ) ধারায় অ্যাপগুলোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মূলত জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়ানোর আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।
ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ হওয়া অ্যাপগুলো হলো—ইমো, ক্রিপভাইজার, এনিগমা, সেফসউইস, উইকর্ম, মিডিয়াফায়ার, ব্রায়ার, বিচ্যাট, ন্যান্ডবক্স, কনিয়ন, এলিমেন্ট, সেকেন্ড লাইন, জাঙ্গি ও থ্রিমা।
গোয়েন্দা সদস্যরা দাবি করেছেন, এসব অ্যাপ ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদ ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে পাকিস্তানের জঙ্গিরা তাদের সমর্থক এবং গোপনে কাজ করা সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। এ ছাড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি, খবরাখবর পাচারের কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছিল এসব অ্যাপ।
এর আগে ভারত সরকার প্রায় ২৫০ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল। জনপ্রিয় মোবাইল গেম পাবজি ও ফ্রি ফায়ারও নিষিদ্ধ করে ভারত।

মহাকাশভিত্তিক আন্তর্জাতিক জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা স্পেস ফর ক্লাইমেট অবজারভেটরি (এসসিও)-এর সদস্য এবং বাংলাদেশের ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)। ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই আন্তর্জাতিক জোটে বাংলাদেশের
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
চীনের নেতৃত্বে গঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা সংস্থায় (ডব্লিউএআইসিও) প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল শনিবার তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তলব করেছে ভারত সরকার। আজ বৃহস্পতিবার ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এস. কৃষ্ণন এ তথ্য জানিয়েছেন...
৪ দিন আগে