পৃথিবীর প্রথম ওয়েবসাইটটি ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয় আজ থেকে ৩০ বছর আগে। এতে কোনো ছবি বা ভিডিও নেই। ওয়েবসাইটজুড়ে রয়েছে শুধু লেখা এবং কিছু হাইপারলিংক। ওয়েবসাইটটিকে ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব প্রজেক্ট’ বলা হতো।
মজার ব্যাপার হলো— ওয়েবসাইটটি এখনো সচল। তিন দশক আগের অবস্থাতেই সেটি রয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্ন গবেষণাগারে তৈরি হয়েছিল ওয়েবসাইটটি। এটি ‘নেক্সট’ কোম্পানির কম্পিউটারে লেখা এবং অনলাইন করা হয়েছিল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘নেক্সট’–এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।
দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ) প্রজেক্টটির মূল লক্ষ্য ছিল ওয়েবসাইটটি প্রকাশ করা। ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছিলেন স্যার টিম বার্নার্স-লি। তিনি তখন সার্নের গবেষক। ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট সর্বপ্রথম ওয়েবসাইটটি উন্মোচন করা হয়।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হিসেবে সমাদৃত বার্নার্স লির বয়স এখন ৬৭ বছর। ১৯৮৯ সালের প্রথম দিকে তিনি ওয়েবের মূল ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটে বিপ্লব ঘটিয়ে দেয়।
ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করলে প্রকল্পের ইতিহাস এবং জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা দেখা যায়। ওয়েবে মানুষের আনাগোনা বাড়াতে সাহায্য করার জন্য একটি অনুরোধও রয়েছে পেজটিতে।
বর্তমানে বিশ্বে এখন আনুমানিক ১২০ কোটি থেকে ১৭০ কোটি ওয়েবসাইট রয়েছে। এ ছাড়া, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি ।
ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে ক্লিক করুন এখানে।

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৩ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৫ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৬ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৬ দিন আগে