অনেক সময় দেখা যায়, চার্জে বসানোর পর স্মার্টফোনটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম হয়ে উঠছে। প্রতিদিন যদি আপনার স্মার্টফোন গরম হতে থাকে, তবে বিষয়টি মোটেও হেলাফেলা করার মতো নয়। এটা বড় কোনো সমস্যার লক্ষণ হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
চার্জে থাকা অবস্থায় ফোন নিয়মিত অতিরিক্ত গরম হওয়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ দায়ী থাকতে পারে।
আপনার স্মার্টফোনের চার্জ যদি আগের চেয়ে অনেক দ্রুত শেষ হয়ে যেতে শুরু করে, তবে ফোনের সেটিংসে গিয়ে অবশ্যই ব্যাটারির স্বাস্থ্য বা ব্যাটারি হেলথ চেক করে নেওয়া উচিত।
ত্রুটিপূর্ণ চার্জিং কেব্ল কিংবা নষ্ট ব্যাটারির কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই স্মার্টফোন গরম হওয়ার বিষয়টি নজরে আসামাত্রই সুরক্ষার স্বার্থে কোনো অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে জানান। কোনো বড় ক্ষতি হওয়ার আগে ফোনটি পরীক্ষা করে নেওয়া এবং নিরাপদ থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় আমাদের ছোট কিছু অসচেতনতাও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। বিপদ এড়াতে স্মার্টফোন সব সময় ঠান্ডা এবং সমান জায়গায় রেখে চার্জ দেওয়া উচিত।
অনেকে বিছানায় বালিশের ওপর, বালিশের নিচে কিংবা কম্বল বা লেপের নিচে স্মার্টফোন রেখে চার্জ দেন। এটি বিপজ্জনক। এসব নরম কাপড়ে তৈরি জিনিসপত্র চার্জিংয়ের সময় ফোনের তৈরি হওয়া তাপ ভেতরে আটকে রাখে। ফলে ফোনটি আরও বেশি গরম হয়ে যায়, যা সরাসরি অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই ফোনের সুরক্ষায় এটিকে উন্মুক্ত জায়গায় রেখে চার্জ দেওয়া ভালো।
সূত্র: বিবিসি

২০১৬ সালের কথা। দেশের গমচাষিরা হয়তো এখনো ভুলে যেতে পারেননি সেই দুঃস্বপ্নের কথা। একদিন সকালে তাঁরা খেতে গিয়ে দেখতে পেলেন, সবুজ-সোনালি শিষগুলো রাতারাতি সাদা হয়ে গেছে। প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি কী হয়েছে। পরে জানা গেল, এশিয়ার মাটিতে এই প্রথম হানা দিয়েছে গমের ব্লাস্ট রোগ।
৯ ঘণ্টা আগে
সৃষ্টির জন্য বয়স যে কোনো সমস্যা নয়, তার বহু উদাহরণ আছে পৃথিবীতে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ মানা জাম্পালা। এআই প্রযুক্তির যুগে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মানা যে এই প্রযুক্তিতে কিছু করে ফেলবে, সেই রাস্তা যেন তৈরিই ছিল।
১০ ঘণ্টা আগে
সাধের ওয়াই-ফাই কানেকশনটি হুটহাট স্লো হয়ে যাওয়া কিংবা বাফারিং করা এক চরম বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেক সময় আমরা ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা রাউটারকে দোষ দিই। কিন্তু ১৯৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম বড় ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরির কারিগর কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালেক্স হিলস জানান...
১০ ঘণ্টা আগে
আদিগন্ত অন্ধকার আর হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। চারপাশে নিঃসীম শূন্যতা, নেই কোনো সাড়াশব্দ। আমাদের চেনা পৃথিবী থেকে প্রায় ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন মাইল দূরে সৌরজগতে একাকী ভাসছে একটি মানবসৃষ্ট বস্তু। ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে সেটি নিথর অবস্থায় ছিল। কোনো শক্তি নেই, কোনো সাড়া নেই।
১১ ঘণ্টা আগে