সম্প্রতি প্রযুক্তি বিশ্বে তোলপাড় করে ফেলেছে হাগিং ফেস নামের একটি এআই টুলস প্ল্যাটফর্মে ঘটে যাওয়া সাইবার হামলার ঘটনা। মাত্র দুই দিনেই অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ১৭ হাজারের বেশি কমান্ড ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য চুরি করে এক এআই এজেন্ট। যদিও এই রোমাঞ্চকর ঘটনার মূল রহস্য ফাঁস হয় ভিন্নভাবে। ওপেনএআই স্বীকার করেছে, কোনো হ্যাকারের নির্দেশে নয়, বরং তাদের নতুন দুটি এআই মডেল নিজস্ব পরীক্ষায় স্যান্ডবক্স বা নিরাপদ গণ্ডি ভেঙে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন ওঠে, এটি ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণহীন এআইয়ের কোনো বড় বিপদের আগাম সংকেত কি না। আবার এটাও বলা হচ্ছে, হতে পারে এটি নিজেদের প্রযুক্তি কতটা শক্তিশালী, তা দেখানোর জন্য ওপেনএআইয়ের প্রচার কৌশল।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ এই ঘটনাকে ওপেনএআইয়ের ‘ভয় দেখিয়ে বাজারজাতকরণ’ কৌশলের অংশ বলে মনে করছেন। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেদের এআই মডেলের দক্ষতা জাহির করার জন্য এটি সাজানো গল্প হতে পারে, যা গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদেরই প্রযুক্তি কিনতে বাধ্য করবে। তবে এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা ওপেনএআইয়ের চরম গাফিলতিকে দায়ী করছেন। ইউকে এআই সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতে, ফ্রন্টিয়ার এআই মডেলগুলো লক্ষ্য পূরণ করতে এতটাই জেদি থাকে যে তারা টেস্টে অথবা নিয়ম ভেঙে সফলতা পেতে ‘চুরি’ করতেও পিছপা হয় না। এআইকে হ্যাকিং শিখিয়ে কোনো শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া ছেড়ে দেওয়াকে খুব ঝুঁকিপূর্ণ এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে অভিহিত করেছেন প্রযুক্তিবিদেরা।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান কিয়ারান মার্টিনের মতে, এই একটি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে এআই পুরো পৃথিবী দখল করে ধ্বংসলীলা চালাবে—এমনটা ভাবা খানিক অতিরঞ্জিত। তবে ২০২৬ সালে এসে এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে এআই এজেন্টরা এখন অত্যন্ত দক্ষ হ্যাকারে পরিণত হয়েছে। একে নিয়ন্ত্রণ করার নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
সূত্র: বিবিসি

প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এক বড় বিপ্লব এনে দিলেও শুরু থেকে বিশ্বজুড়ে এটি নেতিবাচক আলোচনায় ছিল। আর সেই আলোচনার শুরু হয়েছিল কর্মসংস্থানে মানুষের অনিশ্চয়তার বিষয়টি দিয়ে। ২০২৬ সালে এসে সেই আশঙ্কা যেন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
১৯ মিনিট আগে
বিশ্বজুড়ে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তি আসক্তি কমাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ কিংবা সীমিত করার একটি আন্তর্জাতিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা কিংবা যোগাযোগগুলো এখন আর শুধু মুঠোফোনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। ড্রয়িংরুমের সোফায় শুয়ে আইপ্যাডে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, বাড়ি ফেরার পথে পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া কিংবা কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা অ্যাপের মধ্যে দ্রুত সুইচ করা...
২ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ফের নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। অলাভজনক গবেষণা সংস্থা টেক ট্রান্সপারেন্সি প্রজেক্টের (টিটিপি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে ‘ন্যুডিফাই’ নামের একটি অ্যাপের হাজার হাজার বিজ্ঞাপন প্রচার করে মেটার এই প্ল্যাটফর্মগুলো।
২১ ঘণ্টা আগে