মঞ্চটা প্রস্তুতই ছিল। যিনি জিতবেন, হবেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নতুন রাজা। অনায়াসে প্রথম দুই সেট জিতে দানিল মেদভেদেভ যেন তখনই স্বপ্ন দেখে ফেলেছিলেন শিরোপা উঁচিয়ে ধরার। ২০২১ ও ২০২২ সালে মেলবোর্নে ফাইনাল খেলেও শিরোপা জেতা হয়নি। সেই দুঃখ এবার যেন ঘুচেই যাচ্ছিল রুশ তারকার।
কিন্তু ‘টেনিস ঈশ্বর’ যেন অন্যকিছু ভেবে রেখেছিলেন। পরের দুই সেট জিতে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানো ইয়ানিক সিনার শেষ গেম পয়েন্টটি জিতেই শুয়ে পড়লেন কোর্টে। লিখলেন নতুন ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন তো বটে, প্রথমবার কোনো গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতলেন ২২ বছর বয়সী চতুর্থ বাছাই। পুরুষ সিঙ্গেলে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতা প্রথম ইতালিয়ান তিনি।
আজ ফাইনালে রড লেভার অ্যারেনায় সিনার ৩-৬,৩-৬, ৬-৪,৬-৪, ৬-৩ গেমে হারিয়েছেন মেদভেদেভকে। প্রথম দুই সেট হারলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ তিন সেট জিতে শিরোপা নিশ্চিত করেন তিনি।
সেই সঙ্গে একটি কীর্তিও গড়লেন সিনার। ২০০০ সালের পর ২৩ বছর হওয়ার আগেই চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে জিতলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। এই কীর্তি আগে ছিল রজার ফেদেরার, নোভাক জোকোভিচ ও রাফায়েল নাদালের।
সবশেষ কোনো ইতালিয়ান গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন ১৯৭৬ সালে। পুরুষ সিঙ্গেলে আদ্রিয়ানো পানাত্তার সেই ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের ৪৮ বছর পর সিনার ইতালিয়ানদের এনে দিলেন আরেকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
৩ ঘণ্টা আগে