
১৯ বছর বয়সে এটিপি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে ২০২২ সালে ইতিহাস গড়েছিলেন কার্লোস আলকারাস। সেই ঘটনার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় পৌনে দুই বছর। গত মাসে বিশ ছাড়িয়ে একুশে পা রেখেছেন এই স্প্যানিয়ার্ড। এই বয়সেও টেনিস ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ তারকা হিসেবে এসে দাঁড়িয়েছেন আরেক অর্জনের দুয়ারে। আজ ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনাল জিতলে সবচেয়ে কম বয়সে হার্ড কোর্ট (ইউএস ওপেন), ঘাসের কোর্ট (উইম্বলডন) এবং ক্লে কোর্ট (ফ্রেঞ্চ ওপেন)—তিন কোর্টেই গ্র্যান্ড স্লামের রেকর্ড গড়বেন।
রোঁলা গারোর ফাইনালে আলকারাসের প্রতিপক্ষ জার্মানির আলেক্সান্দার জভেরেভ। আলকারাসের তুলনায় পেশাদার সার্কিটে বেশি অভিজ্ঞতা তাঁর। ২০১৮ সালে এটিপি ট্যুর ফাইনালসের ফাইনালে নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে শিরোপা জিতলে এই জভেরেভকে নিয়ে জার্মান কিংবদন্তি বরিস বেকার বলেছিলেন, ‘জভেরেভ ভবিষ্যতের টেনিস তারকা।’ কিন্তু গত ছয় বছরে একটিও গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জেতা হয়নি তাঁর। ২০২০ সালে ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠেছিলেন; কিন্তু হেরে গিয়েছিলেন ডমিনিক থিমের কাছে। প্রথমবারের মতো জভেরেভ উঠে এসেছেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে। এবার হারতে না চাইলে নিজের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে তাঁকে। কারণ, প্রতিপক্ষ আলকারাস মানসিক ও শারীরিকভাবে খুবই শক্তিশালী। সেমিফাইনালে যিনি হারিয়েছেন বিশ্ব টেনিসে নতুন কেতন ওড়ানো আরেক তারকা ইতালির ইয়ানিক সিনারকে।
সেমিফাইনালে জয়েই ইউএস ওপেন, উইম্বলডন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন—সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে এই তিন গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে ওঠার রেকর্ড গড়েছেন। এবার সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে এই তিন গ্র্যান্ড স্লামে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগটা তিনি নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না। আর ফ্রেঞ্চ ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা তো আলকারাসের কাছে একটা স্বপ্ন। রোঁলা গারোয় রাফায়েল নাদালের খেলা দেখে বড় হওয়া আলকারাস বললেন, ‘শুধু নাদালই নন, ফেরারো (কার্লোস), ময়া (আলবার্ট), কোস্তাসহ অনেক স্প্যানিশ খেলোয়াড়
এবং খেলাটার কিংবদন্তিরা টুর্নামেন্ট জিতেছেন। আমিও চেয়েছি একদিন স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের তালিকায় আমার নামটাও থাকবে।’
সেদিন কি আজই?

১৯ বছর বয়সে এটিপি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে ২০২২ সালে ইতিহাস গড়েছিলেন কার্লোস আলকারাস। সেই ঘটনার পর পেরিয়ে গেছে প্রায় পৌনে দুই বছর। গত মাসে বিশ ছাড়িয়ে একুশে পা রেখেছেন এই স্প্যানিয়ার্ড। এই বয়সেও টেনিস ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ তারকা হিসেবে এসে দাঁড়িয়েছেন আরেক অর্জনের দুয়ারে। আজ ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনাল জিতলে সবচেয়ে কম বয়সে হার্ড কোর্ট (ইউএস ওপেন), ঘাসের কোর্ট (উইম্বলডন) এবং ক্লে কোর্ট (ফ্রেঞ্চ ওপেন)—তিন কোর্টেই গ্র্যান্ড স্লামের রেকর্ড গড়বেন।
রোঁলা গারোর ফাইনালে আলকারাসের প্রতিপক্ষ জার্মানির আলেক্সান্দার জভেরেভ। আলকারাসের তুলনায় পেশাদার সার্কিটে বেশি অভিজ্ঞতা তাঁর। ২০১৮ সালে এটিপি ট্যুর ফাইনালসের ফাইনালে নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে শিরোপা জিতলে এই জভেরেভকে নিয়ে জার্মান কিংবদন্তি বরিস বেকার বলেছিলেন, ‘জভেরেভ ভবিষ্যতের টেনিস তারকা।’ কিন্তু গত ছয় বছরে একটিও গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা জেতা হয়নি তাঁর। ২০২০ সালে ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠেছিলেন; কিন্তু হেরে গিয়েছিলেন ডমিনিক থিমের কাছে। প্রথমবারের মতো জভেরেভ উঠে এসেছেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে। এবার হারতে না চাইলে নিজের সেরা খেলাটাই খেলতে হবে তাঁকে। কারণ, প্রতিপক্ষ আলকারাস মানসিক ও শারীরিকভাবে খুবই শক্তিশালী। সেমিফাইনালে যিনি হারিয়েছেন বিশ্ব টেনিসে নতুন কেতন ওড়ানো আরেক তারকা ইতালির ইয়ানিক সিনারকে।
সেমিফাইনালে জয়েই ইউএস ওপেন, উইম্বলডন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন—সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে এই তিন গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে ওঠার রেকর্ড গড়েছেন। এবার সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে এই তিন গ্র্যান্ড স্লামে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগটা তিনি নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না। আর ফ্রেঞ্চ ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা তো আলকারাসের কাছে একটা স্বপ্ন। রোঁলা গারোয় রাফায়েল নাদালের খেলা দেখে বড় হওয়া আলকারাস বললেন, ‘শুধু নাদালই নন, ফেরারো (কার্লোস), ময়া (আলবার্ট), কোস্তাসহ অনেক স্প্যানিশ খেলোয়াড়
এবং খেলাটার কিংবদন্তিরা টুর্নামেন্ট জিতেছেন। আমিও চেয়েছি একদিন স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের তালিকায় আমার নামটাও থাকবে।’
সেদিন কি আজই?

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
১ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৭ ঘণ্টা আগে