লেভার কাপের উদ্বোধনী দিনেই টেনিসকে বিদায় জানিয়েছেন রজার ফেদেরার। বিদায়ী ম্যাচে গত রাতে ফেদেরারের দ্বৈতের সঙ্গী ছিলেন রাফায়েল নাদাল। সুইস মহাতারকার বিদায়ের দিনে আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারেননি নাদাল। ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদেছেন তিনিও।
ম্যাচ শেষে ফেদেরার সম্পর্কে আবেগঘন বার্তাও দিয়েছেন নাদাল। স্প্যানিশ টেনিস তারকা বলেছেন, ‘রজার চলে যাচ্ছে মানে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশও চলে যাচ্ছে। কারণ মুহূর্তগুলো এখনো চোখের সামনে ভাসছে। পরিবার এবং সবাইকে দেখতে পাওয়া তাই অনেক আবেগের।’
নাদাল এবং ফেদেরার দুজনের খেলার ধরন আলাদা। নাদাল বাঁহাতি, ফেদেরার ডানহাতি। নাদাল মনে করেন, ভিন্ন রকম খেলার ধরনই টেনিসকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। যত সময় পেরিয়েছে, তাঁদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মনে করেন নাদাল, ‘আমাদের খেলার ধরনই আমাদের মিল করিয়ে দিয়েছে এবং আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্ভবত সবচেয়ে দারুণ এবং মজার। আমি মনে করি, প্রতি বছরই আমাদের সম্পর্ক দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হয়েছে। আমরা অনেক কিছুই ভাগাভাগি করেছি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আমরা একে-অপরের বিপক্ষে অনেক লম্বা সময় ধরে খেলেছি।’
ফেদেরারের বিদায়ে আবেগাপ্লুত হয়েছেন বিরাট কোহলি। ও২ স্টেডিয়ামে দুজনের একসঙ্গে বসা ছবি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন কোহলি। সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক লিখেছেন, ‘এটাই খেলার সৌন্দর্য। এই দুজনের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা। আমার দেখা ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে সুন্দর ছবি। যখন সঙ্গী আপনার জন্য কাঁদবেন, তখন বুঝতে হবে যে আপনার ভেতর সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত প্রতিভা আছে।’
ফেদেরার-নাদাল দুজনর কান্নার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রী বলেছেন, ‘যারা খেলাধুলা ভালোবাসেন, এই ছবি দেখে কেউ কান্না ধরে রাখতে পারবেন না। এই ছবির মূলকথা হচ্ছে যে খেলা সবার শীর্ষে।’
১৯৯৮ থেকে ২০২২—দীর্ঘ ২৪ বছর টেনিস কোর্ট দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন ফেদেরার। গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন ২০ বার। যার মধ্যে আটবার জিতেছেন উইম্বলডন, ছয়বার অস্ট্রেলিয়ান ওপন, পাঁচবার ইউএস ওপেন এবং একবার ফ্রেঞ্চ ওপেন।

স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলোতেই বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে পর্তুগালের। সেই হতাশাজনক বিদায়ের পর দলটির প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন রবার্তো মার্তিনেস। ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচের চুক্তির মেয়াদও বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল।
১২ মিনিট আগে
এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৫ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ ঘণ্টা আগে