
এভাবেও ফিরে আসা যায়—কার্লোস আলকারাজ গতকাল যা খেলেছেন, তাতে এই কথাটা মনে পড়বেই। পিছিয়ে পড়া দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। স্প্যানিশ টেনিস তারকা পৌঁছে গেলেন উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে।
উইম্বলডনের শেষ ষোলোর ম্যাচে গত রাতে আলকারাজের প্রতিপক্ষ ছিল আন্দ্রে রুবলেভ। লন্ডনের অল ইংল্যান্ড ক্লাবের সেন্টার কোর্টে প্রথম সেটে প্রাণপণে লড়ে টাইব্রেকারে নিয়ে যান রুবলেভ। শেষ পর্যন্ত এই সেটটি রুবলেভ জেতেন ৭-৬ (৭/৫) গেমে। পরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আলকারাজকে। দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ সেট ৬-৩, ৬-৪ এবং ৬-৪ গেমে জিতে স্প্যানিশ টেনিস তারকা পৌঁছে যান উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে।
কীভাবে এমন প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন আলকারাজ—ম্যাচ শেষে এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচ জিততে মানসিকভাবে শক্ত থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ২২ বছর বয়সী স্প্যানিশ টেনিস তারকা বলেন, ‘আপনি পিছিয়ে আছেন কিনা, সেটা কিছু না। টেনিস এমন একটা খেলা যেখানে মাত্র ১ পয়েন্টে ম্যাচের ফল বদলে যেতে পারে। পুরো ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে। টেনিস আপনাকে মানসিকভাবে শক্ত হতে হবে।’
টেনিসে আলকারাজ এখন ২ নম্বর বাছাই। গতকাল শেষ ষোলোর ম্যাচে তাঁর প্রতিপক্ষ রুবলেভ ১৪ নম্বর বাছাই। রুশ টেনিস তারকার বিপক্ষে খেলতে অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলকারাজ। ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ টেনিস তারকা বলেন,‘এই সফরে আন্দ্রে অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। প্রত্যেক বলেই ফোকাস রাখতে হবে। আজ (গতকাল) যেভাবে খেলেছি, তাতে সত্যিই খুশি। ট্যাকটিকালি অনেক বুদ্ধির সঙ্গে খেলেছি আজ।’
কোয়ার্টার ফাইনালে আগামীকাল আলকারাজের প্রতিপক্ষ ব্রিটিশ বাছাই ক্যামেরন নরি। শেষ ষোলোর ম্যাচে গত রাতে নরি খেলেছেন চিলির নিকোলাস জারির বিপক্ষে। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৩–২ সেটে জেতেন নরি। আলকারাজ যেভাবে খেলছেন, তাতে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এবারের উইম্বলডন জিততে পারেন, তাহলে হ্যাটট্রিক করবেন তিনি। এর আগে ২০২৩, ২০২৪ সালে টানা দুইবার এই গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছিলেন আলকারাজ।

বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
১১ মিনিট আগে
মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। পরে ৮৩ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন তিনি। এর আগে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর গোলে অ্যাসিস্টও করেন। যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের জয়সূচক গোলে ৩–২ ব্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিন
২১ মিনিট আগে
মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়ের পর অবশ্য লেতেক্সিয়ের নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। মিসরের কোচ ও খেলোয়াড়দের অভিযোগ, তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। যদিও ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
৩৯ মিনিট আগে
রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও কঠোর ভাষায় মিসরের কোচ বলেন, ‘আমরাই ভালো খেলেছি, কিন্তু ফুটবল অন্যায় করেছে। হয়তো তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং মেসিকে বিপণনের স্বার্থে বিশ্বকাপে রাখতে চায়। রেফারি মিসর জাতীয় দলের প্রতি অবিচার করেছেন, এখানে কোনো ন্যায়বিচার নেই। তবে ফুটবলের বাইরেও অন্য কিছু বিষয়
১ ঘণ্টা আগে