
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এর আগে তিনবার সেমিফাইনালে খেললেও ফাইনালে খেলার সুযোগ পাননি স্তেফানোস সিতসিপাস। অবশেষে চতুর্থবারের চেষ্টায় সেই সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।
টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে কারেন কাচানভকে ৭-৬ (৭-২),৬-৪, ৬-৭ (৬-৮),৬-৩ গেমে হারিয়েছেন সিতসিপাস। এ জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছেন গ্রিস তারকা।
রড লেভার অ্যারেনায় শুরু থেকেই সেমির ম্যাচটি জমে উঠেছিল। শুরুর সেটটিই গড়ায় টাইব্রেকারে। সিতসিপাস ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যখন সেট জয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠিক তখনই ঘুরে দাঁড়িয়ে সেটকে টাইব্রেকার নিয়ে যান কাচানভ। তবে শেষ পর্যন্ত সেটটি জিততে পারেননি তিনি।
প্রথম সেট ৭-৬ (৭-২) ব্যবধানে জেতার পর দ্বিতীয় সেটে ৬-৪ জিতে যান সিতসিপাস। প্রথম দুইটি জিতে যখন সরাসরি সেটে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন তৃতীয় বাছাই। এবারও তাঁর জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান কাচানভ। সেটে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে তৃতীয় সেটটি টাইব্রেকারে জেতেন তিনি। ৬-৭ (৬-৮) জিতে ম্যাচের ফল ২-১ ব্যবধান করেন রাশিয়ান তারকা।
তবে চতুর্থ সেটে কাচানভকে উড়িয়ে দেন সিতসিপাস। ১৮ তম বাছাইকে ৬-৩ সেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠেন তিনি। এ জয়ে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়ের পাল্লাটাও ছয়ে বাড়িয়ে নিলেন তৃতীয় বাছাই। এর আগের পাঁচবারের কখনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারেননি তিনি।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠায় এবার সুযোগ পাচ্ছেন প্রথমবারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের। ২০২১ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে উঠলেও অধরা স্বপ্নটি পূরণ করতে পারেননি তিনি। ক্লে কোর্টের সেই ফাইনালে হেরেছিলেন নোভাক জোকোভিচের কাছে। এবার মেলবোর্ন পার্কের ফাইনালে হয়তো আবারও তাঁর দেখা হতে পারে সার্বিয়ান তারকার সঙ্গে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ টমি পাল। এ দুজনের মধ্যে যে জিতবে তাঁর সঙ্গেই ফাইনালে লড়বেন সিতসিপাস।
ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত সিতসিপাস বলেছেন, ‘এটা ভাবছিলাম যে, এই জায়গায় আসতে কতটা পরিশ্রম করেছি। লেগে থাকলে, নিজেকে আরও বেশি উজাড় করে দিলে এবং মনোযোগ ধরে রাখলে তার মূল্যটা পাওয়া যায়।’

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এর আগে তিনবার সেমিফাইনালে খেললেও ফাইনালে খেলার সুযোগ পাননি স্তেফানোস সিতসিপাস। অবশেষে চতুর্থবারের চেষ্টায় সেই সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।
টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে কারেন কাচানভকে ৭-৬ (৭-২),৬-৪, ৬-৭ (৬-৮),৬-৩ গেমে হারিয়েছেন সিতসিপাস। এ জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছেন গ্রিস তারকা।
রড লেভার অ্যারেনায় শুরু থেকেই সেমির ম্যাচটি জমে উঠেছিল। শুরুর সেটটিই গড়ায় টাইব্রেকারে। সিতসিপাস ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যখন সেট জয়ের দ্বারপ্রান্তে ঠিক তখনই ঘুরে দাঁড়িয়ে সেটকে টাইব্রেকার নিয়ে যান কাচানভ। তবে শেষ পর্যন্ত সেটটি জিততে পারেননি তিনি।
প্রথম সেট ৭-৬ (৭-২) ব্যবধানে জেতার পর দ্বিতীয় সেটে ৬-৪ জিতে যান সিতসিপাস। প্রথম দুইটি জিতে যখন সরাসরি সেটে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন তৃতীয় বাছাই। এবারও তাঁর জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান কাচানভ। সেটে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে তৃতীয় সেটটি টাইব্রেকারে জেতেন তিনি। ৬-৭ (৬-৮) জিতে ম্যাচের ফল ২-১ ব্যবধান করেন রাশিয়ান তারকা।
তবে চতুর্থ সেটে কাচানভকে উড়িয়ে দেন সিতসিপাস। ১৮ তম বাছাইকে ৬-৩ সেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠেন তিনি। এ জয়ে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়ের পাল্লাটাও ছয়ে বাড়িয়ে নিলেন তৃতীয় বাছাই। এর আগের পাঁচবারের কখনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারেননি তিনি।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠায় এবার সুযোগ পাচ্ছেন প্রথমবারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের। ২০২১ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে উঠলেও অধরা স্বপ্নটি পূরণ করতে পারেননি তিনি। ক্লে কোর্টের সেই ফাইনালে হেরেছিলেন নোভাক জোকোভিচের কাছে। এবার মেলবোর্ন পার্কের ফাইনালে হয়তো আবারও তাঁর দেখা হতে পারে সার্বিয়ান তারকার সঙ্গে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ টমি পাল। এ দুজনের মধ্যে যে জিতবে তাঁর সঙ্গেই ফাইনালে লড়বেন সিতসিপাস।
ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত সিতসিপাস বলেছেন, ‘এটা ভাবছিলাম যে, এই জায়গায় আসতে কতটা পরিশ্রম করেছি। লেগে থাকলে, নিজেকে আরও বেশি উজাড় করে দিলে এবং মনোযোগ ধরে রাখলে তার মূল্যটা পাওয়া যায়।’

মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা বয়কটের কারণে ২০২৬ বিপিএলের সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লিগ পর্বের ম্যাচই নয়, পরিবর্তন করতে হয়েছে প্লে-অফের সূচিও। তবে ফাইনাল হবে নির্ধারিত দিনেই।
৬ মিনিট আগে
দীপক চাহারের বল এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল সীমানার দড়ি ছোঁয়ার আগেই মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্যে উড়লেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে তখন উল্লাস। ২০২২ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ের কথা যে বলা হয়েছে, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝতে পেরেছেন।
৩৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা
২ ঘণ্টা আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো জানেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যের পর পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন ক্রিকেট বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন
২ ঘণ্টা আগে