
মেলবোর্ন পার্কেই ২৫ ছুঁতে চেয়েছিলেন জোকোভিচ। খুব করেই চেয়েছিলেন বলে এবার মেলবোনে পা রেখেই বলেছিলেন, ‘সত্যি বলতে আমি আমার স্বপ্নটাকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছি।’
সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের খুবই কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন সার্বিয়ান তারকা। সেমিফাইনালে নতুন প্রজন্মের আরেক তারকা ইয়ানিক সিনারের বিপক্ষে ৪ ঘণ্টা ৯ মিনিটের লড়াই করে ১৮টি ব্রেক পয়েন্টের ১৬টিই বাঁচিয়ে যেভাবে জিতলেন, তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন, বুড়ো বয়সেই ভেলকি দেখাবেন ৩৮ বছর বয়সী জোকোভিচ। মরণ কামড় দিয়ে কার্লোস আলকারাসকে হারিয়ে দেবেন, মেলবোর্ন পার্কের রাজা তাঁর ‘দুর্ভেদ্য দুর্গে’ আরও একবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরবেন। রোববারের ফাইনালে স্বপ্নপূরণের সব চেষ্টাই করেছিলেন জোকো। কিন্তু স্প্যানিশ কার্লোসের উচ্ছ্বসিত পারফরম্যান্সের কাছে পেরে উঠতে পারেননি।
জোকোভিচের ক্যারিয়ারের সূর্যটা মধ্যগগন থেকে অস্তের দিকে হেলে পড়েছে—এটা আগেই পরিষ্কার হয়ে গেছে। ২০২৩ সালে বছরের চারটি গ্র্যান্ড স্লামের তিনটি জিতলেও পরের দুই বছর শূন্য হাতেই থেকেছেন। ওই শূন্যতাই বলে দিচ্ছিল, আগের অবস্থায় আর নেই জোকোভিচ। তারপরও এবার তাঁর পয়মন্ত ভেন্যু মেলবোর্নে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই। এই মেলবোর্ন ফাইনালে খালি হাতে ফেরায় না জোকোভিচকে। আর ১০টি ফাইনালের ১০টিতে জিতেছেন তিনি। এই সুখস্মৃতি নিয়েই খেলতে নেমেছিলেন। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধার কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর যে মনের জোরও কমে এসেছে, রোববারের ফাইনাল শেষে অকপটেই স্বীকার করলেন রেকর্ড ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক, ‘সত্যি বলতে, আমি ভাবিনি আবার কোনো গ্র্যান্ড স্লামের সমাপনী অনুষ্ঠানে দাঁড়াতে পারব।’ জানিয়েও দেন হয়তো এটাই ছিল তাঁর শেষ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ‘আগামীকাল কী হবে, ছয় মাস বা এক বছর পর কী হবে—ঈশ্বরই জানেন।’ বিদায়ী ভাষণের মতো শোনানো এই বক্তব্য কেবল হারের আবেগজনিত প্রতিক্রিয়া নয়, জোকোভিচ জানান, তিনি দুটি বক্তব্য প্রস্তুত করেছিলেন—একটি জয়ের জন্য, আরেকটি হারের জন্য।
২০২৩ সালে সবশেষ ইউএস ওপেন জয়ের পর এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ধরে মোট ৯টি গ্র্যান্ড স্লামে অংশ নিয়েছেন, যার ২টিতে ফাইনাল খেলছেন। তাঁর বড় স্বস্তির জায়গা অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেও আগের দুইবার বিদায় নিয়েছিলেন সেমিফাইনালেই। ২০২১-২০২৩—এই তিন বছরে যিনি ৭টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন, সেই জোকোভিচ যখন পরের ৯টি গ্র্যান্ড স্লামে শিরোপাশূন্য থাকেন, তখন কেউ কেউ ধরেই নিয়েছিলেন—প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে তাঁর অস্ত্রগুলো দিনে দিনে ভোঁতা হয়ে এসেছে। কিন্তু যাঁরা এমনটা ভেবেছিলেন ইয়ানিক সিনারের দুর্দান্ত জয়ে তাঁদের ভুল প্রমাণ করেন জোকোভিচ।
তবে রোববারের ফাইনালে হারের পর এখন কেউ কেউ এমনও ভাবছেন—জোকোভিচের ২৫ ট্রফির স্বপ্ন হয়তো স্বপ্নই থেকে যাবে! এ ধারণাকেও কি ভুল প্রমাণ করতে পারবেন? জোকোভিচের বিশ্বাস তিনি পারবেন, ‘জানতাম, শিরোপা জিততে হলে আলকারাস ও সিনার দুজনকেই হারাতে হবে। একজনকে হারিয়েছি, এটা আশাব্যঞ্জক। কিন্তু আমার জন্য যথেষ্ট নয়। আমি সব সময় বিশ্বাস করি (২৫টি গ্র্যান্ড স্লাম জিততে) আমি পারব। না হলে আমি প্রতিযোগিতায় থাকতাম না।’

মাঠের পারফরম্যান্স নয় বরং মাঠের বাইরের ঘটনায় বেশ কিছু ম্যাচ অনেক আলোচিত-সমালোচিত। আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল তেমনই এক ম্যাচ। আটলান্টায় ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত ম্যাচের পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের যুক্তরাজ্যের ভিসা বাতিলও হতে পারে।
৫ মিনিট আগে
১৬ বছর আগের এক রাতে কানেকটিকাটের নিভৃত কুঁড়েঘরে বসে ১৪ বছরের এক কিশোর ল্যাপটপে দেখছিলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই সোনালি মুহূর্ত। আনন্দে চিৎকার করতে করতে সেদিন লেকের চারপাশে চক্কর দিয়েছিল ছেলেটি। ১৬ বছর পর নিউজার্সির সবুজ গালিচা পেরিয়ে সেই রদ্রি নিজে বিশ্বসেরার ট্রফি হাতে তুলে নিয়ে লিখলেন ইতিহাস। ২০১০
৪২ মিনিট আগে
স্পেনের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। এবার টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ বেছে নিতে সমর্থকদের ভোট গ্রহণ শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার পাঁচ ফুটবলার।
১২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনালে মাঠের লড়াই শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের আচরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। একই সঙ্গে ফাইনালে লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানোর যে খবর ছড়িয়েছিল, সেটিও প
১২ ঘণ্টা আগে