আগের দিন কোয়ার্টার ফাইনালের বৈতরণি পেরিয়েছিলেন নোভাক জোকোভিচ ও আলেক্সান্দার জভেরভ। আর আজ কোয়ার্টার ফাইনালে জিতলেন ইয়ানিক সিনার ও বেন শেলটন। তাতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের লাইনআপও ঠিক হয়ে গেছে। ইয়ানিক সিনার খেলবেন শেলটনের বিপক্ষে।
গতকাল পুরুষ এককের কোয়ার্টার ফাইনালে শীর্ষ বাছাই ইয়ানিক সিনার সরাসরি সেটে হারিয়ে দেন অষ্টম বাছাই অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স ডি মিনাউরকে। সিনার জেতেন ৬-৩, ৬-২, ৬-১ গেমে। আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে লরেঞ্জো সোনেগোকে ৬-৪, ৭-৫, ৪-৬, ৭-৬ (৭-৪) গেমে হারান ২১তম বাছাই যুক্তরাষ্ট্রের বেন শেলটন।
আগের দিন জোকোভিচ-আলকারাজ শেষ আটের লড়াইটিকে যে কাব্যিক ম্যাচের রূপ দিয়েছিলেন, তার ধারেকাছেও যেতে পারেনি সিনার-ডি মিনাউরের লড়াই। আসলে সিনারকে সেভাবে চ্যালেঞ্জেই ফেলতে পারেননি স্বাগতিক প্রতিযোগী ডি মিনাউর। স্বাগতিক বলেই গ্যালারির সমর্থন পেয়েছেন তিনি। পয়েন্ট জিতলেই সমর্থকেরা হর্ষধ্বনি দিয়েছেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। ম্যাচের স্কোরলাইনই বলছে, সিনারের সামনে তেমন প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি ডি মিনাউর। ফলে সহজ জয়ই পেয়েছেন সিনার।
আলকারাস বিদায় নেওয়ার পর এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে জোকোভিচের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জার ভাবা হচ্ছে সিনারকেই। নিজ নিজ সেমিফাইনাল জয়ী হলে ফাইনালেই দেখা হয়ে যাবে জোকোভিচ-সিনারের।
ছেলেদের মতো মেয়েদের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের লাইনআপও চূড়ান্ত হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মেডিসন কিস খেলবেন দ্বিতীয় বাছাই ইগা শিয়াতেকের বিপক্ষে। প্রথম সেমিফাইনালের লাইনআপ আগের দিনই ঠিক হয়েছিল, যেখানে শীর্ষ বাছাই আরিনা সাবালেঙ্কা খেলবেন স্পেনের ১১তম বাছাই পলা বাদোসার বিপক্ষে।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪৪ মিনিট আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
৩ ঘণ্টা আগে