নিউইয়র্কের মেয়ে জেসিকা পেগুলা। স্বভাবতই ক্যারোলিন মুচোভার বিপক্ষে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে দর্শক সমর্থন ছিল তাঁর দিকে। কিন্তু দর্শকদের হতাশ করে মাত্র ২৮ মিনিটেই প্রথম সেট জিতলেন মুচোভা। আধিপত্য ধরে রেখেই দ্বিতীয় সেটে একক পর্যায়ে চেক প্রজাতন্দ্রের মুচোভা এগিয়ে গেলেন ৩-০ গেমে। গ্যালারিতে তখন পিনপতন নীরবতা!
তখন বিশ্বাস করার কেউই হয়তো ছিলেন না—ম্যাচটি জিতবেন পেগুলা। কিন্তু যা ভাবা যায়নি, ঘটল সেটাই, খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১-৬, ৬-৪, ৬-২ গেমে জিতলেন। ম্যাচ শেষে নিজেকে ভাগ্যবান বললেন পেগুলা, ‘আমি নিজেকে ভাগ্যবান ভাবি যে আমি ফাইনালে উঠেছি।’ কেন ভাগ্যবান, তাঁরও একটা ব্যাখ্যা দিলেন তিনি, ‘টেনিসে যেন আমার হাতেখড়ি—এমন পর্যায়ে আমাকে নামিয়ে এনেছিল সে। আমাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিল এবং আমার কান্নার উপক্রম হয়েছিল। আমি জানি না, সেই অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি।’
এই জয়ে প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠলেন পেগুলা। ফাইনালে তিনি লড়াই করবেন গতবারের সাবালেঙ্কার বিপক্ষে। বেলারুশের এই তারকা সেমিফাইনালে হারিয়েছেন ৬-৩, ৭-৬ (৭/২) যুক্তরাষ্ট্রের এমা নাভারোকে। গতবারও ফাইনালে খেলেছিলেন সাবালেঙ্কা; কিন্তু পারেননি শিরোপা হাতে নিতে। এবার পারবেন? উত্তরটা সময়ের হাতেই। তবে এটা নিশ্চিত—ফ্ল্যাশিং মিডো পাচ্ছে নতুন এক রানিকে।

সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
২ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে