চোটের সঙ্গে লড়ছিলেন অনেক দিন হলো। অবশেষে টেনিসকে বিদায়ই জানিয়ে দিলেন রজার ফেদেরার। ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী ফেদেরার এ মাসের লেভার কাপ খেলেই বিদায় জানাবেন টেনিসকে। আজ আনুষ্ঠানিকভাবেই অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সুইস তারকা।
২০২১ উইম্বলডনের পর থেকে আর টেনিস খেলছেন না ফেদেরার। এই সময়ে তৃতীয়বারের মতো হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। শরীর আর সমর্থন না করায় অবশেষে থামতেই হচ্ছে ফেডেক্সকে। সামাজিক মাধ্যমে এক চিঠি পোস্ট করে ফেদেরার লিখেছেন, ‘গত কিছুদিনে আমার শরীর আমাকে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে। গত ২৪ বছরে ১৫০০ ম্যাচের বেশি খেলেছি। এখন আমাকে স্বীকার করতেই হচ্ছে প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ারটা শেষ করতে হচ্ছে। টেনিস খেলাকে বলব, তোমাকে অনেক ভালোবাসি, কখনোই তোমাকে ছেড়ে যাব না।’
বিদায়ী বার্তায় ফেদেরার তাঁর পরিবার, বন্ধু, কোচ, প্রতিদ্বন্দ্বী, পৃষ্ঠপোষক, ভক্ত-সমর্থক—সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফেদেরার। ১৯৯৮ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পেশাদার টেনিসে অভিষেক। ২০০৩ সালে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জয়। এরপর টেনিসকে শিল্পে রূপ দিয়ে জিতেছেন ৬টি অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ১টি ফ্রেঞ্চ ওপেন, ৮ উইম্বলডন আর ৫টি ইউএস ওপেন। গ্র্যান্ড স্লাম জেতার দিক দিয়ে তাঁর ওপরে আছে শুধু রাফায়েল নাদাল (২২) আর নোভাক ুজোকোভিচ (২১)।
ফেদেরের এই বিদায়ে একটি বড় অধ্যায়ই শেষ হতে চলেছে টেনিসের ইতিহাসে।

গ্রুপপর্ব কিংবা সেরা ৩২; আগের দুই পর্বেই দাপুটে ফুটবল খেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। শেষ ষোলোতে সে দাপট দেখাতে পারল না এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। তাদের ৪-১ গোলের সহজ জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বেলজিয়াম।
৩ মিনিট আগে
স্পেনের কাছে হেরে শেষ ষোলোতেই বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়েছে পর্তুগালের। সেই হতাশাজনক বিদায়ের পর দলটির প্রধান কোচের পদ ছাড়লেন রবার্তো মার্তিনেস। ২০২৩ সালে দায়িত্ব নেওয়া এই স্প্যানিশ কোচের চুক্তির মেয়াদও বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল।
১৪ মিনিট আগে
এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৫ ঘণ্টা আগে