গ্র্যান্ড স্লাম ক্যারিয়ারে তাঁর সর্বোচ্চ দৌড় কোয়ার্টার ফাইনাল। গতবছরই ফ্লাশিং মিডোয় উঠেছিলেন শেষ আটে। তবে পেশাদার সার্কিটে নতুনের কেতন ওড়াচ্ছেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে আসেন না তিনি। চীনের সেই ঝেং কিনওয়েন এবার উঠে গেলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে।
গতকাল সেমিফাইনালে ২১ বছর বয়সী কিনওয়েন ৬-৪,৬-৪ গেমে হারিয়েছেন ইউক্রেনের দায়ানা ইয়াস্ত্রেমস্কাকে। শনিবারের ফাইনালে তিনি মুখোমুখি হবেন টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কার। সেমিফাইনালে যিনি ৭-৬ (৭ /২),৬-৪ গেমে হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোকো গফকে।
প্রথমবারের মতো কিনওয়েন ফাইনালে ওঠলেও চীনের কোনো মেয়ে প্রতিযোগীর এটাই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম ফাইনাল নয়। এর আগে ইয়ারা নদীর তীরে ২০২৪ সালে ফাইনাল খেলেছিলেন চীনের লি না। সে বছর শিরোপাও জিতেছিলেন তিনি। গতকাল মেলবোর্ন পার্কে ফাইনালে উঠে দর্শকদের মনে অগ্রজ লি নাকেই মনে করিয়ে দিয়েছেন দ্বাদশ বাছাই কিনওয়েন।
গতকালের জয়ে টেনিস র্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে আসাটা নিশ্চিত হয়েছে কিনওয়েনের। যে জয়ের পর দারুণ উচ্ছ্বসিত কিনওয়েন, ‘দুর্দান্ত খেলতে পেরে এবং ফাইনালে ওঠে আমি খুবই রোমাঞ্চিত।’ তাঁর লক্ষ্য এখন শিরোপা। অভিজ্ঞ সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে কি মেলবোর্ন পার্কে লি নার মতো ট্রফি উচিয়ে ধরতে পারবেন কিনওয়েন।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪৩ মিনিট আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
৩ ঘণ্টা আগে