
একমাত্র রাফায়েল নাদাল ছাড়া রোলাঁ গারোর লাল মাটির কোর্ট আর কারও কথা শোনে না—কথাটি বহু দিন হলো প্রতিষ্ঠিত সত্যি।
জিমি কনর্স, জন ম্যাকেনরো, পিট স্যাম্প্রাস, বরিস বেকারের মতো কিংবদন্তি অতীতে এই বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছেন। আজ একই নিয়তি সঙ্গী হলো আলেক্সান্ডার জভেরেভের। টানা দ্বিতীয়বার ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামা জার্মান তারকাকে নতি স্বীকার করতে হলো চোটের কাছে।
জভেরেভে চোটে ওয়াকওভার পেয়ে ফাইনালে উঠে গেলেন নাদাল। ১৪ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ২২ তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের পথে রোববার স্প্যানিশ কিংবদন্তির বাধা ক্যাসপার রুড অথবা মারিন সিলিচ।
অথচ নিজের ৩৬ তম জন্মদিনে উল্টো বিদায়ের করুণ সুর শুনতে পারতেন নাদাল। মহাকাব্যিক এক লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া জভেরেভ যে তাঁর নাভিশ্বাস তুলে ছেড়েছেন!
স্নায়ুক্ষয়ী ৯১ মিনিটের প্রথম সেট নাদাল জেতেন কোনোরকমে,৭-৬ (১০-৮) ব্যবধানে। দ্বিতীয় সেটও চলছিল একইভাবে। ঘড়িতে কাটা তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে বেশ আগেই। ১২ তম গেমে তুমুল লড়াই। ৬-৬ সমতা বিরাজ করছিল তখন।
ঠিক সে সময় নাদালের একটি শট ফেরাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ে গিয়ে চিৎকার করে ওঠেন জভেরেভ। ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও পারেননি। শেষ পর্যন্ত হুইল চেয়ারে বসে কোর্ট ছাড়েন ২৫ বছরের দীর্ঘদেহী জার্মান।
একটু পর ফিরেছেন জভেরেভ। তবে ক্রাচে ভর দিয়ে। নাদালকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে তাঁকে। ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ম্যাচটার ফল সেখানেই স্পষ্ট।
বিস্ময়ের ছাপ স্পষ্ট চোখেমুখে নাদালের চোখেমুখেও। জন্মদিনে প্রতিপক্ষের এমন ‘উপহার’ নিশ্চয়ই তিনিও পেতে চাননি!

একমাত্র রাফায়েল নাদাল ছাড়া রোলাঁ গারোর লাল মাটির কোর্ট আর কারও কথা শোনে না—কথাটি বহু দিন হলো প্রতিষ্ঠিত সত্যি।
জিমি কনর্স, জন ম্যাকেনরো, পিট স্যাম্প্রাস, বরিস বেকারের মতো কিংবদন্তি অতীতে এই বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছেন। আজ একই নিয়তি সঙ্গী হলো আলেক্সান্ডার জভেরেভের। টানা দ্বিতীয়বার ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামা জার্মান তারকাকে নতি স্বীকার করতে হলো চোটের কাছে।
জভেরেভে চোটে ওয়াকওভার পেয়ে ফাইনালে উঠে গেলেন নাদাল। ১৪ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ২২ তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের পথে রোববার স্প্যানিশ কিংবদন্তির বাধা ক্যাসপার রুড অথবা মারিন সিলিচ।
অথচ নিজের ৩৬ তম জন্মদিনে উল্টো বিদায়ের করুণ সুর শুনতে পারতেন নাদাল। মহাকাব্যিক এক লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া জভেরেভ যে তাঁর নাভিশ্বাস তুলে ছেড়েছেন!
স্নায়ুক্ষয়ী ৯১ মিনিটের প্রথম সেট নাদাল জেতেন কোনোরকমে,৭-৬ (১০-৮) ব্যবধানে। দ্বিতীয় সেটও চলছিল একইভাবে। ঘড়িতে কাটা তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে বেশ আগেই। ১২ তম গেমে তুমুল লড়াই। ৬-৬ সমতা বিরাজ করছিল তখন।
ঠিক সে সময় নাদালের একটি শট ফেরাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ে গিয়ে চিৎকার করে ওঠেন জভেরেভ। ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও পারেননি। শেষ পর্যন্ত হুইল চেয়ারে বসে কোর্ট ছাড়েন ২৫ বছরের দীর্ঘদেহী জার্মান।
একটু পর ফিরেছেন জভেরেভ। তবে ক্রাচে ভর দিয়ে। নাদালকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে তাঁকে। ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ম্যাচটার ফল সেখানেই স্পষ্ট।
বিস্ময়ের ছাপ স্পষ্ট চোখেমুখে নাদালের চোখেমুখেও। জন্মদিনে প্রতিপক্ষের এমন ‘উপহার’ নিশ্চয়ই তিনিও পেতে চাননি!

দীপক চাহারের বল এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল সীমানার দড়ি ছোঁয়ার আগেই মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্যে উড়লেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে তখন উল্লাস। ২০২২ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ের কথা যে বলা হয়েছে, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝতে পেরেছেন।
৩২ মিনিট আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা
২ ঘণ্টা আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো জানেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যের পর পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন ক্রিকেট বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন
২ ঘণ্টা আগে
বছরের শুরুতে দেশের ক্রিকেটে টালমাটাল অবস্থা এমন কবে দেখা গেছে, সেটা জানতে অনেকে নিশ্চয়ই গুগল করা শুরু করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তো রয়েছেই। পাশাপাশি যোগ হয়েছে মোহাম্মদ মিঠুন-মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা স্থগিত।
৩ ঘণ্টা আগে