ক্রীড়া ডেস্ক

উইম্বলডন, ফাইনাল আর আলকারাস—শব্দ তিনটির কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০২৩ সালের সেন্টার কোর্টের ফাইনাল। পাঁচ সেটের কাব্যিক সেই ফাইনালের শেষ সেটে এমনই দুর্দান্ত এইস, দর্শনীয় ড্রপ শট খেলেছিলেন যে তা তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না প্রতিপক্ষ সার্বিয়ান জোকোভিচের। জোকোর অসহায়ত্বের বিপরীতে স্প্যানিশ তারকার উচ্ছ্বসিত পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব টেনিসে ‘আলকা-রাজ’ দেখেছিলেন ক্রিকেট পণ্ডিতরা। আলকারাসকে তাঁরা বলেছিলেন, সেন্টার কোর্টের নতুন রাজা।
আলকারাসই যে উইম্বলডনের ‘নতুন রাজা’ সেটি পরেরবারও প্রমাণ করেছিলেন, সেই একই প্রতিপক্ষ নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে। ‘বড় তিন’-এর শেষ প্রতিনিধি সেই জোকোভিচ এখন অতীত। আজ যখন আরেকটি উইম্বলডনের পুরুষ এককের ফাইনাল, তখন আলকারাসের চ্যালেঞ্জার তাঁরই প্রজন্মের ইয়ানিক সিনার।
ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালেও যাঁরা মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেই ফাইনালে আলকারাস তাঁর ‘খেল’ দেখিয়েছেন তৃতীয় সেট থেকে। প্রথম দুই সেটে পিছিয়ে পড়েছিলেন। সবাই যখন ধরেই নিয়েছিলেন এই ফাইনালে হারই নিয়তি আলকারাসের, তখনই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। শেষ, কাব্যিক সেই লড়াই জয়ে, যেটিকে তিনি জীবনের ‘সেরা ম্যাচ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। রোলাঁ গারোর সেই ম্যাচ যাঁরা দেখেছিলেন, আজকের ফাইনালে তাঁরা এগিয়ে রাখবেন আলকারাসকেই। কিন্তু আলকারাস বলছেন, ‘সত্যি বলতে, ফ্রেঞ্চ ওপেনে সেই জয়ের পর মানসিকভাবে আমি এগিয়ে আছি, এটা ভাবি না আমি। সিনার এমন একজন খেলোয়াড়, যে প্রতিটি হার থেকে শেখে, প্রতিটি ম্যাচ থেকে শেখে এবং পরের ম্যাচে আরও ভালো হয়ে ফিরে আসে। আমি নিশ্চিত, এবারও সে ভালোভাবে প্রস্তুত।’
প্রস্তুত বলেই তো তিনি সেমিফাইনালে হারিয়ে দিয়েছেন নোভাক জোকোভিচকে, প্রথমবারের মতো উঠেছেন উইম্বলডনের ফাইনালে। পরশুর ৬-৩,৬-৩, ৬-৪ গেমের জয়টি ছিল জোকোভিচের বিপক্ষে সিনারের টানা পঞ্চম জয়। জোকোকে টানা পাঁচ ম্যাচে হারানোর কৃতিত্ব আছে আর একজনের, রাফায়েল নাদালের।
আজকের ফাইনালের আগেও অবশ্য টানা পাঁচবার কালোস আলকারাস হারিয়েছেন সিনারকে। যদিও মোট ১২ সাক্ষাতের ৪ টিতে জিতেছেন সিনারও। কিন্তু ফর্ম বিবেচনায় এগিয়ে আলকারাসই।
গত এপ্রিলে বার্সেলোনা ওপেনের ফাইনালে হোলগার রুনের কাছে হারের পর স্প্যানিশ তারকা টানা ২৪ ম্যাচের জয়ের ধারায়। তবে ২২ বছর বয়সী আলকারাসকে এই মুহূর্তে থামাতে পারে শুধু একজনই; তিনি ২৩ বছর বয়সী সিনার। এই বিশ্বাস কি আলকারাসেরও নয়! স্প্যানিশ তারকা ফাইনাল নিয়ে বললেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি দারুণ একটি ফাইনাল হতে যাচ্ছে।’ আর দারুণ সে ফাইনাল শেষে তাঁদের ব্যক্তি দ্বৈরথও নতুন উচ্চতায় উঠবে বলে বিশ্বাস আলকারাসের, ‘আমরা এখনো তরুণ। আগামী ৫ কিংবা ১০ বছর এভাবেই খেলে যেতে পারব এবং আমাদের দ্বৈরথ আগের তারকাদের মতোই হয়ে উঠবে।’
কেন জিতবেন আলকারাস
অবিশ্বাস্য গতিতে কোর্টজুড়ে বিচরণ। আক্রমণ ঠেকাতে ঠেকাতেই আক্রমণে যাওয়া। ভলি, লব, পাওয়ার হিট তো আছেই, তাঁর ড্রপ শট যেকোনো পরিস্থিতিতে বেকায়দায় ফেলতে পারে প্রতিপক্ষকে। আছে হার না মানার ইস্পাতসম মানসিকতা।
কেন জিতবেন সিনার
দ্রুতগতির ভয়ংকর ব্যাকহ্যান্ড। বিশেষ করে ক্রস-কোর্ট ব্যাকহ্যান্ড বেকায়দায় ফেলতে পারে আলকারাসকে। সিনার এই সময়ের সেরা রিটার্নারও। লম্বা র্যালিতে ধারাবাহিকভাবে গভীর শট খেলার দক্ষতা। আনফোর্স এররও খুব কম করেন।

উইম্বলডন, ফাইনাল আর আলকারাস—শব্দ তিনটির কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০২৩ সালের সেন্টার কোর্টের ফাইনাল। পাঁচ সেটের কাব্যিক সেই ফাইনালের শেষ সেটে এমনই দুর্দান্ত এইস, দর্শনীয় ড্রপ শট খেলেছিলেন যে তা তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না প্রতিপক্ষ সার্বিয়ান জোকোভিচের। জোকোর অসহায়ত্বের বিপরীতে স্প্যানিশ তারকার উচ্ছ্বসিত পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব টেনিসে ‘আলকা-রাজ’ দেখেছিলেন ক্রিকেট পণ্ডিতরা। আলকারাসকে তাঁরা বলেছিলেন, সেন্টার কোর্টের নতুন রাজা।
আলকারাসই যে উইম্বলডনের ‘নতুন রাজা’ সেটি পরেরবারও প্রমাণ করেছিলেন, সেই একই প্রতিপক্ষ নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে। ‘বড় তিন’-এর শেষ প্রতিনিধি সেই জোকোভিচ এখন অতীত। আজ যখন আরেকটি উইম্বলডনের পুরুষ এককের ফাইনাল, তখন আলকারাসের চ্যালেঞ্জার তাঁরই প্রজন্মের ইয়ানিক সিনার।
ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালেও যাঁরা মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেই ফাইনালে আলকারাস তাঁর ‘খেল’ দেখিয়েছেন তৃতীয় সেট থেকে। প্রথম দুই সেটে পিছিয়ে পড়েছিলেন। সবাই যখন ধরেই নিয়েছিলেন এই ফাইনালে হারই নিয়তি আলকারাসের, তখনই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। শেষ, কাব্যিক সেই লড়াই জয়ে, যেটিকে তিনি জীবনের ‘সেরা ম্যাচ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। রোলাঁ গারোর সেই ম্যাচ যাঁরা দেখেছিলেন, আজকের ফাইনালে তাঁরা এগিয়ে রাখবেন আলকারাসকেই। কিন্তু আলকারাস বলছেন, ‘সত্যি বলতে, ফ্রেঞ্চ ওপেনে সেই জয়ের পর মানসিকভাবে আমি এগিয়ে আছি, এটা ভাবি না আমি। সিনার এমন একজন খেলোয়াড়, যে প্রতিটি হার থেকে শেখে, প্রতিটি ম্যাচ থেকে শেখে এবং পরের ম্যাচে আরও ভালো হয়ে ফিরে আসে। আমি নিশ্চিত, এবারও সে ভালোভাবে প্রস্তুত।’
প্রস্তুত বলেই তো তিনি সেমিফাইনালে হারিয়ে দিয়েছেন নোভাক জোকোভিচকে, প্রথমবারের মতো উঠেছেন উইম্বলডনের ফাইনালে। পরশুর ৬-৩,৬-৩, ৬-৪ গেমের জয়টি ছিল জোকোভিচের বিপক্ষে সিনারের টানা পঞ্চম জয়। জোকোকে টানা পাঁচ ম্যাচে হারানোর কৃতিত্ব আছে আর একজনের, রাফায়েল নাদালের।
আজকের ফাইনালের আগেও অবশ্য টানা পাঁচবার কালোস আলকারাস হারিয়েছেন সিনারকে। যদিও মোট ১২ সাক্ষাতের ৪ টিতে জিতেছেন সিনারও। কিন্তু ফর্ম বিবেচনায় এগিয়ে আলকারাসই।
গত এপ্রিলে বার্সেলোনা ওপেনের ফাইনালে হোলগার রুনের কাছে হারের পর স্প্যানিশ তারকা টানা ২৪ ম্যাচের জয়ের ধারায়। তবে ২২ বছর বয়সী আলকারাসকে এই মুহূর্তে থামাতে পারে শুধু একজনই; তিনি ২৩ বছর বয়সী সিনার। এই বিশ্বাস কি আলকারাসেরও নয়! স্প্যানিশ তারকা ফাইনাল নিয়ে বললেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি দারুণ একটি ফাইনাল হতে যাচ্ছে।’ আর দারুণ সে ফাইনাল শেষে তাঁদের ব্যক্তি দ্বৈরথও নতুন উচ্চতায় উঠবে বলে বিশ্বাস আলকারাসের, ‘আমরা এখনো তরুণ। আগামী ৫ কিংবা ১০ বছর এভাবেই খেলে যেতে পারব এবং আমাদের দ্বৈরথ আগের তারকাদের মতোই হয়ে উঠবে।’
কেন জিতবেন আলকারাস
অবিশ্বাস্য গতিতে কোর্টজুড়ে বিচরণ। আক্রমণ ঠেকাতে ঠেকাতেই আক্রমণে যাওয়া। ভলি, লব, পাওয়ার হিট তো আছেই, তাঁর ড্রপ শট যেকোনো পরিস্থিতিতে বেকায়দায় ফেলতে পারে প্রতিপক্ষকে। আছে হার না মানার ইস্পাতসম মানসিকতা।
কেন জিতবেন সিনার
দ্রুতগতির ভয়ংকর ব্যাকহ্যান্ড। বিশেষ করে ক্রস-কোর্ট ব্যাকহ্যান্ড বেকায়দায় ফেলতে পারে আলকারাসকে। সিনার এই সময়ের সেরা রিটার্নারও। লম্বা র্যালিতে ধারাবাহিকভাবে গভীর শট খেলার দক্ষতা। আনফোর্স এররও খুব কম করেন।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৫ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৬ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৭ ঘণ্টা আগে