অলিম্পিকের ইতিহাসে প্রতিশ্রুতিশীল মেধাবী তরুণদের অংশ নেওয়ার অনেক উদাহরণ আছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় ১২ বছর বয়সী এক বিস্ময়কর কিশোরী হেন্ড জাজা।
সিরিয়ান টেবিল টেনিস তারকা জাজা গত বছর ফেব্রুয়ারিতেই টোকিও অলিম্পিক নিশ্চিত করেছে। ৪২ বছর বয়সী লেবানিস টেনিস খেলোয়াড় মারিয়ানা সাহাকিয়ানকে এশিয়ান বাছাই পর্বে হারিয়ে অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে জাজা।
সিরিয়ার প্রথম টেবিল টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে জাজা এরই মধ্যে সব ধরনের জাতীয় প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিতেছে। এখন তার চোখ টোকিও অলিম্পিকে ভালো করা। এ প্রসঙ্গে জাজা বলেছে, ‘এটা আমার দেশ, বাবা-মা এবং আমার বন্ধুদের জন্য উপহার।’
সিরিয়ার অন্য সব শিশুর মতো জাজাও বেড়ে উঠেছে গৃহযুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে। দেশটিতে সব সময় যুদ্ধের দামামা বাজলেও ১২ বছরের এই কিশোরী চালিয়ে গেছে টেবিল টেনিস খেলা। চার ভাইয়ের একমাত্র ছোট বোন জাজা নিজের লক্ষ্যে ছিল অবিচল।
সাবেক ফুটবলার ও জিমন্যাস্টিক শিক্ষক বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেয়েটার রক্তেই খেলাধুলা ছিল। এক সাক্ষাৎকারে জাজা নিজেও বলেছে, ‘খেলা আমার রক্তে আছে। পরিবার একেবারে শুরুর দিনগুলো থেকেই আমাকে অনেক সমর্থন দিয়েছে আর পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে অনেক আদর–যত্নও করছে। তাঁরা সব সময় আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৮ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৯ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
১০ ঘণ্টা আগে