টোকিও অলিম্পিকের হকিতে ব্রোঞ্জ জিতে ইতিহাস গড়েছে ভারত। পদক নির্ধারণী ম্যাচে জার্মানিকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে তারা। ভারতীয় দল এই ব্রোঞ্জ জিতে অলিম্পিক হকিতে সর্বোচ্চ পদক জয়ের কীর্তি গড়েছে। আর সেমিফাইনালে ভারতকে হারানো বেলজিয়াম ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সোনা জিতেছে।
বেলজিয়াম সোনা জিতলেও ভারতের ব্রোঞ্জ জয়ের গুরুত্ব কোনো অংশেই কম নয়। এক সময় যে ভারত হকিতে একচ্ছত্র দাপট দেখিয়ে পদক জিতত, তারাই গত ৪১ বছরে পদক জিততে পারেনি। ১৯৮০ সালে মস্কো অলিম্পিকে শেষবার সোনা জিতেছিল ভারতীয় হকি দল। আর এবারের ব্রোঞ্জ জয়ে অলিম্পিকের ইতিহাসে হকিতে সর্বোচ্চ পদক জয়ের রেকর্ড এককভাবে নিজেদের করে নিল তারা। টোকিও অলিম্পিকের আগে হকিতে সর্বোচ্চ পদক জয়ের তালিকায় ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ছিল জার্মানি।
দেশকে এত বড় অর্জন এনে দেওয়ায় হকি দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি টুইটে লিখেছেন, ‘এই দিনটি সব ভারতীয় গর্বের সঙ্গে মনে রাখবে। দেশকে ব্রোঞ্জ পদক এনে দেওয়ায় আমাদের হকি দলকে অভিনন্দন। গোটা ভারত হকি দলের এই অর্জনে গর্বিত।’
এর আগে ১৯২৮ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত হকিতে ১১টি পদক (৮টি সোনা,১টি রূপা ও দু'টি ব্রোঞ্জ) জিতেছে ভারত। আর এবারের ব্রোঞ্জ জয়ে সব মিলিয়ে পদক সংখ্যা দাড়াল ১২ টি।
সর্বোচ্চ পদক জয়ের তালিকায় দুইয়ে থাকা জার্মানির পদক সংখ্যা ১১টি (৪টি সোনা,৩টি রূপা ও ৪টি ব্রোঞ্জ)। আর বেলজিয়ামের কাছে ফাইনালে হারা অস্ট্রেলিয়া ১০ পদক নিয়ে আছে তালিকার তিনে।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২২ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে