
৫১ বছর পর ঘরের মাঠে কাবাডি টেস্ট সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালকে সেভাবে লড়াইয়ের সুযোগই দেয়নি মিজানুর রহমানের দল। পাঁচটি লোনাসহ ৫৩-২৯ পয়েন্ট ব্যবধানে জিতে ম্যাট ছাড়ে তারা।
কাবাডিতে প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে নেপালের বিপক্ষে কখনোই হারের ইতিহাস নেই বাংলাদেশের। পল্টন মাঠে শুরু থেকেই নেপালকে চেপে ধরেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। প্রথমার্ধ শেষ করেন ২৮-১১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। বিরতির পর অবশ্য নেপালের খেলায় ধার বাড়ে কিছুটা। তবে ম্যাচে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা।
ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মিজানুর। নেপালকে ধবলধোলাই করার স্বপ্ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘নেপাল অবশ্যই ভালো দল। তারা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে, পূর্ণ শক্তি নিয়ে এসেছে। তবে আমরা সুন্দরভাবে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছি। অবশ্যই নেপালকে ধবলধোলাই করতে আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব।’
আগামীকাল একই ভেন্যুতে বিকাল সাড়ে তিনটায় সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। এর আগে ১৯৭৪ সালে ঢাকায় প্রথমবার ভারতের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ।

টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। তবে ম্যাচের শেষ দিকে এসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর যেখানে চোখ বন্ধ করে ২০০ পার হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয়নি।
১৬ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ৯৯তম বলে হঠাৎ করে খেলা থামিয়ে দিলেন আম্পায়াররা। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিঁটেফোটা ছিল না।
৩৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে গতকাল লিটন দাসের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি উন্মোচন করেছিলেন টম লাথাম। সংবাদ সম্মেলনেও এসেছিলেন লাথাম। কিন্তু আজ লিটনের সঙ্গে টস করতে দেখা গেল অন্য কাউকে।
১ ঘণ্টা আগে
অর্থের ঝনঝনানি, চার-ছক্কার বন্যা—সব মিলিয়ে আইপিএলে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি অনেক ধনকুবেরেরও নজর থাকে। স্টেডিয়ামগুলোও কড়া নিরাপত্তার বলয়ে থাকে। কিন্তু বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে যা ঘটে গেল, তাতে এই টুর্নামেন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিসিক্যামেরা নষ্ট করার দায়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার
২ ঘণ্টা আগে