ইউরোপিয়ান ফুটবলে দলবদলে নাটকের জন্ম দিয়ে গত আগস্টে জুভেন্টাস ছেড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পুরোনো গুরু স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ম্যানইউতে ফেরার পরের এই সময়ে ক্লাবের অর্জনে খুশি নন রোনালদো।
বছর শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অতৃপ্তির কথা জানিয়েছেন রোনালদো। ইনস্টাগ্রামে সিআর সেভেন লিখেছেন, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যা অর্জন করেছি তা নিয়ে আমি খুশি নই। আমি নিশ্চিত কেউই খুশি নয়। আমরা জানি আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ভালো খেলতে হবে। এখন যেভাবে পরিশ্রম করছি, এর চেয়ে বেশি করতে হবে।’
একই সঙ্গে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রোনালদো। পুরো বছরের অর্জন প্রসঙ্গে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড লিখেছেন, ‘২০২১ সাল শেষ হয়েছে। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আমার ৪৭ গোল ছাড়া এই বছরটা সহজ ছিল না। দুটি ভিন্ন ক্লাব এবং পাঁচ জন ভিন্ন কোচ। জাতীয় দলের হয়ে ইউরো কাপ এবং বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। জুভেন্টাসের হয়ে ইতালিয়ান কাপ ও সুপার কাপ জয় এবং সিরি আ লিগের শীর্ষ স্কোরার হতে পেরে আমি গর্বিত। পর্তুগালের হয়ে ইউরো কাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এই বছর আমার অন্যতম অর্জন ছিল। এবং অবশ্যই, ওল্ড ট্রাফোর্ডে ফিরতে পারা আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হয়ে থাকবে।’

শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালের পালা। বোস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ফ্রান্স-মরক্কো। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় আর্জেন্টিনা। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তুমুল আলোচিত-সমালোচিত আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের প্রভাব কি পড়ছে শেষ আটের প্রথম ম্যাচের ওপর? আসলে এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু।
১৩ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-মিসর শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ষোলোর ম্যাচের ৩-২ স্কোরকার্ড ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। জয়ের পরও তাই আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকেরা অস্বস্তিতে পড়েছেন। লেতেক্সিয়ে আর্জেন্টাইনদের সুবিধা দিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে এমন চর্চা চলছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। ক
১ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে রেফার
২ ঘণ্টা আগে
কিছু দল আছে, যারা প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে নয়, বরং সুযোগের অপেক্ষা করে ঠিক সময়ে আঘাত হানার। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনও এমনই ছিল। ১৬ বছর পর সেই পুরোনো চেহারার আরেকটি ঝলক দেখা গেল ডালাসে। পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসে ভর করে শেষ হাসি
৩ ঘণ্টা আগে