কোপা দেল রে
ক্রীড়া ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদকে তো এমনি এমনি ‘রয়্যাল মাদ্রিদ’ বলা হয় না। যে ম্যাচে অনেকেই চোখ বুজে রিয়ালের হার দেখতে পান, স্প্যানিশ ক্লাবটি সেখানেই দেখায় চমক। কোপা দেল রের সেমিফাইনাল ম্যাচ দিয়ে আবার সেটা নতুন করে বোঝাল মাদ্রিদ।
কোপা দেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ১-০ গোলে অর্ধেক কাজ সেরে রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গত রাতে দ্বিতীয় লেগটা ড্র করলেই ফাইনালে উঠত মাদ্রিদ। কিন্তু কেউ কি বুঝতে পেরেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের পরতে পরতে থাকবে রোমাঞ্চ! ম্যাচে ৮০ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল সোসিয়েদাদ। মাদ্রিদ মহাকাব্য লিখতে শুরু করে এখান থেকেই। ৯০ মিনিট পেরিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ ম্যাচের দ্বিতীয় লেগ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।১২০ মিনিটের খেলা শেষে ৪-৪ গোলে ড্র হয়েছে ম্যাচটি। দুই লেগ মিলে ৫-৪ গোলে এগিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠে মাদ্রিদ।
ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ যতই কোণঠাসা অবস্থায় থাকুক, দল ফাইনাল খেলবে বলে আত্মবিশ্বাস ছিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমার কখনো মনেই হয়নি ম্যাচ থেকে আমরা ছিটকে গিয়েছি। বার্নাব্যুতে যেকোনো কিছু হতে পারে। সব মিলিয়ে ম্যাচের এমন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে হতো। আমরা হাল ছাড়িনি।’
রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ কতটা রোমাঞ্চকর ছিল, সেটা ৪-৪ গোলের স্কোরলাইন দেখে স্পষ্ট। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচটা উপভোগ করেছেন আনচেলত্তিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রিদ কোচ বলেন, ‘ম্যাচটা খুবই আনন্দপূর্ণ ছিল। অনেক গোল হয়েছে ও অনেক ভালো কিছু দেখা গেছে। আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করেছি। আরেকটা ফাইনালে উঠেছি।’
আন্দ্রে বারেনেৎসিয়ার গোলে গত রাতে ১৬ মিনিটে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে এগিয়ে যায় রিয়াল সোসিয়েদাদ। সমতায় ফিরতে মাদ্রিদের লেগেছে ১৪ মিনিট। সমতাসূচক গোলটি ৩০ মিনিটে করেন এনড্রিক। রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদের প্রথমার্ধ ১-১ গোলে ড্রয়ের পর দ্বিতীয়ার্ধে জমে ওঠে খেলা। ৭২ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে সোসিয়েদাদকে ম্যাচে এগিয়ে দেন মাদ্রিদ ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। এরপর ৮০ মিনিটে গোল করেন সোসিয়েদাদের স্ট্রাইকার মিকেল ওইরজাবাল। তাতে মাদ্রিদের বিপক্ষে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় সোসিয়েদাদ।
৮০ মিনিটের পরই রিয়াল মাদ্রিদের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। ৮২ ও ৮৬ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের দুই ফুটবলার জুড বেলিংহাম ও অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি গোল করলে ম্যাচে ৩-৩ সমতা হয়েছে। এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন সোসিয়েদাদের স্ট্রাইকার ওইরজাবাল। সেমিফাইনালের দুই লেগ মিলে তখন রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ ম্যাচ ৪-৪ সমতায়। অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ালে সেখানেই জাদু দেখায় মাদ্রিদ। ১১৫ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন মাদ্রিদ ডিফেন্ডার আন্টনিও রুডিগার।

রিয়াল মাদ্রিদকে তো এমনি এমনি ‘রয়্যাল মাদ্রিদ’ বলা হয় না। যে ম্যাচে অনেকেই চোখ বুজে রিয়ালের হার দেখতে পান, স্প্যানিশ ক্লাবটি সেখানেই দেখায় চমক। কোপা দেল রের সেমিফাইনাল ম্যাচ দিয়ে আবার সেটা নতুন করে বোঝাল মাদ্রিদ।
কোপা দেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ১-০ গোলে অর্ধেক কাজ সেরে রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গত রাতে দ্বিতীয় লেগটা ড্র করলেই ফাইনালে উঠত মাদ্রিদ। কিন্তু কেউ কি বুঝতে পেরেছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের পরতে পরতে থাকবে রোমাঞ্চ! ম্যাচে ৮০ মিনিট পর্যন্ত ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল সোসিয়েদাদ। মাদ্রিদ মহাকাব্য লিখতে শুরু করে এখান থেকেই। ৯০ মিনিট পেরিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ ম্যাচের দ্বিতীয় লেগ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।১২০ মিনিটের খেলা শেষে ৪-৪ গোলে ড্র হয়েছে ম্যাচটি। দুই লেগ মিলে ৫-৪ গোলে এগিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠে মাদ্রিদ।
ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ যতই কোণঠাসা অবস্থায় থাকুক, দল ফাইনাল খেলবে বলে আত্মবিশ্বাস ছিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমার কখনো মনেই হয়নি ম্যাচ থেকে আমরা ছিটকে গিয়েছি। বার্নাব্যুতে যেকোনো কিছু হতে পারে। সব মিলিয়ে ম্যাচের এমন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে হতো। আমরা হাল ছাড়িনি।’
রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ কতটা রোমাঞ্চকর ছিল, সেটা ৪-৪ গোলের স্কোরলাইন দেখে স্পষ্ট। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচটা উপভোগ করেছেন আনচেলত্তিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রিদ কোচ বলেন, ‘ম্যাচটা খুবই আনন্দপূর্ণ ছিল। অনেক গোল হয়েছে ও অনেক ভালো কিছু দেখা গেছে। আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করেছি। আরেকটা ফাইনালে উঠেছি।’
আন্দ্রে বারেনেৎসিয়ার গোলে গত রাতে ১৬ মিনিটে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে এগিয়ে যায় রিয়াল সোসিয়েদাদ। সমতায় ফিরতে মাদ্রিদের লেগেছে ১৪ মিনিট। সমতাসূচক গোলটি ৩০ মিনিটে করেন এনড্রিক। রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদের প্রথমার্ধ ১-১ গোলে ড্রয়ের পর দ্বিতীয়ার্ধে জমে ওঠে খেলা। ৭২ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে সোসিয়েদাদকে ম্যাচে এগিয়ে দেন মাদ্রিদ ডিফেন্ডার ডেভিড আলাবা। এরপর ৮০ মিনিটে গোল করেন সোসিয়েদাদের স্ট্রাইকার মিকেল ওইরজাবাল। তাতে মাদ্রিদের বিপক্ষে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় সোসিয়েদাদ।
৮০ মিনিটের পরই রিয়াল মাদ্রিদের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। ৮২ ও ৮৬ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের দুই ফুটবলার জুড বেলিংহাম ও অরেলিয়েঁ চুয়ামেনি গোল করলে ম্যাচে ৩-৩ সমতা হয়েছে। এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন সোসিয়েদাদের স্ট্রাইকার ওইরজাবাল। সেমিফাইনালের দুই লেগ মিলে তখন রিয়াল মাদ্রিদ-রিয়াল সোসিয়েদাদ ম্যাচ ৪-৪ সমতায়। অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ালে সেখানেই জাদু দেখায় মাদ্রিদ। ১১৫ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন মাদ্রিদ ডিফেন্ডার আন্টনিও রুডিগার।

মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
৫ মিনিট আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামের পাশে যুক্ত হতে পারত আরও একটি গোল। ১০০০ গোলের যে মিশনে তিনি নেমেছেন, তাতে এগিয়ে যেতে পারতেন আরও এক ধাপ। আল শাবাবের রক্ষণভাগে তিনি পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলটা তিনি করতে পারেননি।
৩ ঘণ্টা আগে