
মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই ভেন্যু জটিলতায় খাদের কিনারায় গিয়ে ঠেকেছিল ফেডারেশন কাপের ভাগ্য। কিংস অ্যারেনায় খেলতে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অনড় আপত্তির পর এবার এক অভূতপূর্ব ও নাটকীয় মোড় নিলো দেশের ঘরোয়া ফুটবল। ফেডারেশন কাপের ফাইনাল ম্যাচটি না খেলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) চিঠি দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। শুধু খেলা বর্জনই নয়, প্রতিপক্ষ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে ট্রফি ও মেডেল দিয়ে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
সব ঠিক থাকলে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ফেডারেশন কাপ ফাইনালে আজ মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল মোহামেডান-কিংসের। গতকাল বাফুফে সভাপতির সঙ্গে দুই পক্ষের আলোচনার পরও এ বিষয়ে কোনো সুরহা হয়নি।
আজ বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে বসুন্ধরা কিংস তাদের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে। ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল আয়োজন নিয়ে বাফুফের অদূরদর্শিতা এবং প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
বাফুফেকে পাঠানো চিঠিতে বসুন্ধরা কিংস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে, ‘বসুন্ধরা কিংস ট্রফির চেয়ে সম্মানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। আমরা বিশ্বাস করি এই পরিস্থিতিতে আর তেমন কোনো সম্মান অবশিষ্ট নেই, তাই আমরা ফাইনাল ম্যাচটি বাতিল করার এবং ফাইনালের অন্য দলটিকে চ্যাম্পিয়নের মেডেল দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
মোহামেডানের পূর্ববর্তী আপত্তির দিকে ইঙ্গিত করে চিঠিতে কিংস আরও মনে করিয়ে দেয় যে, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে তারা মোহামেডানের হোম ভেন্যু কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে একাধিক ম্যাচ (চ্যালেঞ্জ কাপ ও বিএফএল) খেলেছে। সেখানে সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনা পর্যাপ্ত না থাকা সত্ত্বেও ফুটবলের স্বার্থে কোনো জটিলতা তৈরি করেনি কিংস। কিন্তু কিংস অ্যারেনায় ফাইনাল খেলা নিয়ে মোহামেডানের আপত্তি এবং পরবর্তীতে বাফুফের ব্যর্থ সমঝোতা পুরো ফুটবল ইকোসিস্টেমকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
কিংস অ্যারেনায় খেলতে না চেয়ে গত ১২ মে বাফুফের কাছে চিঠি পাঠায় মোহামেডান। গতকাল আলোচনার পরও অবস্থান থেকে সরে আসেনি তারা। কিংস জানায়, ফুটবলের স্বার্থে তারা যেকোনো ভেন্যুতে খেলতে প্রস্তুত। দিনশেষে তারাও চাচ্ছে না খেলতে।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে