
বেশ ঘটা করে ১৮ তম জন্মদিন পাল করলেন লামিন ইয়ামাল। বিশেষ দিন উদ্যাপনের রেশ এখনো কাটেনি, এর মধ্যেই বিতর্কেরমুখের স্পেনের এই তরুণ ফুটবলার। জন্মদিন উদ্যাপনে বামন আকৃতির মানুষদের পারফরমার হিসেবে ভাড়া করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইয়ামাল। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্পেনের সামাজিক অধিকার মন্ত্রণালয়।
গত পরশু স্পেনের ওলিভেলা শহরে জন্মদিনের পার্টিতে ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সার ও ইয়ামালের বার্সেলোনার সতীর্থরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, সেই অনুষ্ঠানে কয়েকজন বামন আকৃতির মানুষকে বিনোদনের অংশ হিসেবে ভাড়া করে এনেছিলেন ইয়ামাল।
এই ঘটনায় স্পেনের অ্যাকন্ড্রোপ্লাজিয়া ও স্কেলিটাল ডিসপ্লেশিয়া আক্রান্তদের সংগঠন এডিইই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আইনি অভিযোগ দায়ের করেছে ইয়ামালের বিরুদ্ধের। সংগঠনটির মতে, এটি কেবল আইনভঙ্গই নয়, বরং ২১শ শতকের একটি সমাজে মানব মর্যাদার পরিপন্থী ও বৈষম্যমূলক। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেনের আইন অনুযায়ী কোনো বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে এমন ব্যক্তিদের ব্যবহার করে যদি তাচ্ছিল্য বা উপহাস সৃষ্টি হয়, তা বেআইনি।
কেউ জন্মদিন বা পার্টিতে ডান্স, ম্যাজিক বা পানীয় বিতরণের জন্য যদি বামনত্বসম্পন্ন মানুষদের ভাড়া করে, তাহলে তাদের ‘বামন পারফরমার’ বলে। স্পেনের আইন অনুযায়ী, যেকোনো এমন পারফরমার যা প্রতিবন্ধী বা শারীরিক বৈশিষ্ট্যের মানুষকে মঞ্চে এনে উপহাস বা হাস্যরসের বিষয় বানায়, তা নিষিদ্ধ।
তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন পারফরমার। স্প্যানিশ রেডিও আরএসি১-কে তিনি বলেন, ‘কেউ আমাদের অসম্মান করেনি। আমরা আনন্দের সঙ্গেই কাজ করেছি। শারীরিক অবস্থার জন্য আমাদের কাজ করা বন্ধ করতে হবে কেন?’
ইয়ামালের ক্লাব বার্সেলোনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত জীবনের অন্তর্ভুক্ত। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য হাতে এলে তারা অবস্থান পর্যালোচনা করবে। খুব কম বয়সেই ফুটবল মাঠের আলো কেড়েছেন ইয়ামাল। এবার ভিন্ন কারণে শিরোনামে উঠে এল তাঁর নাম। এখন দেখার বিষয়, তদন্তে কী উঠে আসে।

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২০ মিনিট আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২০ মিনিট আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২২ মিনিট আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
২৬ মিনিট আগে