সোনালি ট্রফিটার অপেক্ষা ফুরোল লিওনেল মেসির। কত অপেক্ষা, কত স্রোত বয়ে গেল, অবশেষে ফুটবল বিশ্বকাপ শিরোপা ছোঁয়ার সৌভাগ্য হলো ফুটবল রাজপুত্রের। কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম সাক্ষী হলো রাজকীয় মুহূর্তের। রোমাঞ্চকর ফাইনাল আপন আলোয় আলোকিত করেছেন মেসি।
ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেওয়া প্রথম গোলটা মেসির পা থেকেই। আনহেল দি মারিয়ার গোলে ২-০ গোলের লিড নেওয়া আর্জেন্টিনা একপর্যায়ে দুই গোল হজম করে। আবারও আলবিসেলেস্তেদের পথ দেখালেন মেসি। অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন। তবে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে আরও একবার সমতায় ফেরে ফ্রান্স।
২০১৪ সালে সোনালি ট্রফিটার কাছ থেকে ফিরে এসেছিলেন। আরও একবার কী খালি হাতে ফিরবেন মেসি? রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বোধ হয় কি মেসির জন্যই লিখেছিলেন, `আমি সেই নতমুখ, নীরবে ফিরে যাওয়া অভিমান-ভেজা চোখ আমাকে গ্রহণ করো। উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান, আমি সেই অনিচ্ছা, নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ। আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে? '
ক্যারিয়ারে দলকে আনন্দের উপলক্ষ এনে দিয়েছেন অসংখ্যবার। কঠিন বৈতরণি পার করেছেন, সেও অসংখ্যবার। পুরস্কারে পুরস্কারে ছেয়ে গেছে ট্রফির শোকেসটা। বাঁ পায়ের ফুটবল শৈলীতে বিশ্বকে মোহিত করেছেন, সেও অসংখ্যবার। চারদিকের প্রশংসা বাণী মেসি নামের সঙ্গে মিশেছে, সেও হাজার-লাখোবার। ৭টি ব্যালন ডি অর'স, ৬ টি ইউরোপীয়ান গোল্ডেন বুট। এতসব কিছুর পরও মেসি জিততে চেয়েছিলেন একটি বিশ্বকাপ শিরোপা। সেটাই হবে ক্যারিয়ারের আলোকিত মুহুর্ত।
মেসির জন্য উপলক্ষটা ছিল, নাও অর নেভার। ফাইনালটাই আকাশি-নীল জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ সেটাই আগেই জানিয়েছেন। মেসি পেরেছেন। আর্জেন্টিনা পেরেছে। টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয়বার ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
৩ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১১ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২১ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৩৭ মিনিট আগে