প্রথমার্ধের মোহামেডানের খেলা দেখে মনে হলো কিংস অ্যারেনা যেন তাদেরই মাঠ, বসুন্ধরা কিংসের নয়। মাঠ-দর্শক বসুন্ধরার ঠিকই, কিন্তু খেলার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি মোহামেডানের হাতে। প্রথমার্ধেই অসাধারণ এক গোলে বসুন্ধরাকে তাদের মাঠেই হারিয়েছে আলফাজ আহমেদের দল।
২০২২-২৩ মৌসুমে উদ্বোধনের পর কিংস অ্যারেনাকে নিজেদের অপ্রতিরোধ্য দুর্গ বানিয়ে রেখেছিল বসুন্ধরা। আজকের আগ পর্যন্ত এই মাঠে ঘরোয়া ফুটবলে কেউ হারাতে পারেনি বসুন্ধরাকে। এএফসি কাপে মোহনবাগান, ওডিশার মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও এই মাঠে অপরাজিত ছিল বসুন্ধরা। শেষ পর্যন্ত নিজেদের দুর্গে প্রথম হার দেখল অস্কার ব্রুজোনের দল। নিজেদের মাঠে ৩০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর মোহামেডানের কাছে আজ ১-০ গোলে হেরে গেছে বসুন্ধরা কিংস।
মোহামেডানের এই জয়ে জমে গেছে বিপিএল ফুটবল। বসুন্ধরাকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকলেও দুই দলের পয়েন্ট ব্যবধান মাত্র ১ পয়েন্ট। ৬ ম্যাচে বসুন্ধরার পয়েন্ট ১৫, সমান ম্যাচে মোহামেডানের ১৪। গত মৌসুমে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে হারের পর আবারও বসুন্ধরাকে হারাল মোহামেডান।
প্রথমার্ধের পুরোটা সময় বসুন্ধরাকে নিজেদের মাঠে দর্শক বানিয়ে রেখেছে মোহামেডান। ম্যাচের চার মিনিটে গোলের অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্ট করেন মোহামেডান অধিনায়ক সুলেমান দিয়াবাতে। নিজেদের অর্ধ থেকে রবসন রবিনহোর পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে বসুন্ধরার বক্স পর্যন্ত চলে যান মানিক মোল্লা। ডান প্রান্তে ফাঁকায় ছিলেন দিয়াবাতে। মানিকের বাড়ানো বলে বসুন্ধরা গোলরক্ষক জিকোকে একা পেয়েও দূর পোস্ট দিয়ে বল বাইরে পাঠান মোহামেডান অধিনায়ক। গোল না পেলেও প্রথমার্ধে খেলার দখলটা মোহামেডানের হাতেই ছিল। ম্যাচের ২০ মিনিটে মুজাফফরভের ফ্রিকিক ডান পোস্টে ঘেঁষে চলে যায় বাইরে।
ম্যাচের ৪০ মিনিটে এ মৌসুমের অন্যতম সেরা এক গোলে মোহামেডানকে এগিয়ে দেন মিনহাজুর আবেদিন রাকিব। নিজেদের অর্ধ থেকে দিয়াবাতের পাসে বল নিয়ে একাই বসুন্ধরার অর্ধে ঢুকে পড়েন রাকিব। তাকে মার্ক করছিলেন বসুন্ধরার তিন খেলোয়াড়। বক্সে ঢোকার আগেই বাঁ প্রান্ত ধরে বাঁ পায়ে শট নেন রাকিব, বসুন্ধরা গোলরক্ষক জিকোর মাথার ওপর দিয়ে সেই শটে বল দূর পোস্ট গিয়ে বল জড়ায় জালে।
সমতায় ফিরতে মরিয়া বসুন্ধরা আক্রমণাত্মক দ্বিতীয়ার্ধ থেকে। ৫০ মিনিটে রবসন রবিনহোর কোনাকুনি শট ঝাঁপিয়ে ফেরান মোহামেডান গোলরক্ষক সুজন হোসেন। এক মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে মুজাফফরভের দূরপাল্লার শট খুঁজে পায়নি জাল।
৬২ মিনিটে আবারও সুযোগ নষ্ট বসুন্ধরার। মিগেল দামাশিনার বাতাসে বাড়ানো বলে হেড নেন দরিয়েলতন গোমেজ। তার সামনে ছিলেন শুধু মোহামেডান গোলরক্ষক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হেডে বলকে জালে রাখতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ৬৬ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে রবসনের ক্রসে মিগেল হেড নিতে পারলে গোল পেতে পারত বসুন্ধরা। ৬৮ মিনিটে মিগেলের আরেকটি শটও ফেরান মোহামেডান গোলরক্ষক।
বসুন্ধারার বারংবার আক্রমণের ভেতর ৮২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ এক সুযোগ হারান সুলেমান দিয়াবাতে। মাঝমাঠ থেকে একক নৈপুণ্যে বসুন্ধরার বক্সে ঢুকে পড়েন সুলেমান। সামনে ছিলেন কেবল জিকো। সুলেমানের জোরালো শট ঠেকিয়ে ব্যবধানটাকে আর বড় হতে দেননি বসুন্ধরা গোলরক্ষক।
তবে মোহামেডান ধাক্কাটা খেল ৮৯ মিনিটে এসে। মাথায় চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হলেন সাদা-কালোদের নিয়মিত গোলরক্ষক সুজন। বদলি গোলরক্ষক হিসেবে গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্ব পেলেন সাকিব আল হাসান!
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে আরও অতিরিক্ত ১৩ মিনিট সময় পেয়েছিল বসুন্ধরা ম্যাচে ফেরার জন্য! অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে রবসনের পাস থেকে দৃষ্টিকটু হেডে গোলের সুযোগ হারান দরিয়েলতন।
বদলি গোলরক্ষক সাকিব আল হাসানই দারুণ দুই সেভে বসুন্ধরাকে ম্যাচে ফিরতে দেননি। অতিরিক্ত সময়ের ১০ মিনিটে রবসনের জোরালো শট ফিস্ট করে ফেরান সাকিব। পরের মিনিটেই দরিয়েলতনের হেড ঠেকান এই বদলি গোলরক্ষক। তাতে এই মৌসুমে প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেতে হলো বসুন্ধরাকে।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২২ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে