নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলের ব্যস্ততার বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও। ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ। নতুন বছরে ক্রীড়াঙ্গনে লাল-সবুজের সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন জাহিদ হাসান এমিলি।
জাহিদ হাসান এমিলি
২০২৬ সালটা স্পেশাল হবে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। মেয়েদের এশিয়ান কাপ মার্চে, অস্ট্রেলিয়ায়। অনেক বড় ইভেন্ট মর্যাদার দিক দিয়ে। এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করাটাই তো বিশাল অর্জন। আমার মনে হয়, এটা ভবিষ্যতে অনেক কাজে দেবে। এশিয়ান কাপে মেয়েরা যে যে গ্রুপে পড়েছে, সেখানে উজবেকিস্তানকে টার্গেট করা উচিত। ম্যাচটায় যদি মেয়েরা ভালো কিছু করতে পারে, পরে হয়তো বাকি ম্যাচেও আত্মবিশ্বাসী করবে।
২০০৩ সালের পর আমরা আর সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। ২০২৬ সালে সাফ আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টুর্নামেন্ট হতে পারে। আমাদের জাতীয় দল নতুনভাবে পুনর্গঠিত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে তো সবার চাওয়া থাকবে, সাফে যেন আমরা চ্যাম্পিয়ন হই। শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা ছিল টুর্নামেন্ট, তারা সম্ভবত করবে না। বাংলাদেশের আয়োজক হওয়ার কিন্তু একটা সম্ভাবনা আছে। যদি আয়োজন করতে পারি, আমাদের জন্য একটা বড় পাওয়া হবে। দলের শক্তি অনুযায়ী সবাই প্রত্যাশা করে, সাফ চ্যাম্পিয়ন হব আমরা। তবু ভারত, শ্রীলঙ্কা এই মুহূর্তে বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে নতুন একটা মাত্রা তৈরি হবে। আমরা জাতীয় দল নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছি, সেটার একটা প্রতিফলন হবে।
২০২৬ সালে আছে বিশ্বকাপ ফুটবল। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্ট। তিন দেশে হতে যাওয়া ৪৮ দলের টুর্নামেন্ট নিয়ে বিশাল আগ্রহ সবার। বাংলাদেশও কাঁপবে বিশ্বকাপের জ্বরে। নতুন বছরে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে ফুটবল উৎসবে ভেসে যাওয়ার এক বছর।
লেখক: সাবেক অধিনায়ক, বাংলাদেশ ফুটবল দল
২০২৬ সালটা স্পেশাল হবে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। মেয়েদের এশিয়ান কাপ মার্চে, অস্ট্রেলিয়ায়। অনেক বড় ইভেন্ট মর্যাদার দিক দিয়ে। এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করাটাই তো বিশাল অর্জন। আমার মনে হয়, এটা ভবিষ্যতে অনেক কাজে দেবে। এশিয়ান কাপে মেয়েরা যে যে গ্রুপে পড়েছে, সেখানে উজবেকিস্তানকে টার্গেট করা উচিত। ম্যাচটায় যদি মেয়েরা ভালো কিছু করতে পারে, পরে হয়তো বাকি ম্যাচেও আত্মবিশ্বাসী করবে।
২০০৩ সালের পর আমরা আর সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। ২০২৬ সালে সাফ আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টুর্নামেন্ট হতে পারে। আমাদের জাতীয় দল নতুনভাবে পুনর্গঠিত হয়েছে। সেই জায়গা থেকে তো সবার চাওয়া থাকবে, সাফে যেন আমরা চ্যাম্পিয়ন হই। শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা ছিল টুর্নামেন্ট, তারা সম্ভবত করবে না। বাংলাদেশের আয়োজক হওয়ার কিন্তু একটা সম্ভাবনা আছে। যদি আয়োজন করতে পারি, আমাদের জন্য একটা বড় পাওয়া হবে। দলের শক্তি অনুযায়ী সবাই প্রত্যাশা করে, সাফ চ্যাম্পিয়ন হব আমরা। তবু ভারত, শ্রীলঙ্কা এই মুহূর্তে বেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশ সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে নতুন একটা মাত্রা তৈরি হবে। আমরা জাতীয় দল নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছি, সেটার একটা প্রতিফলন হবে।
২০২৬ সালে আছে বিশ্বকাপ ফুটবল। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্ট। তিন দেশে হতে যাওয়া ৪৮ দলের টুর্নামেন্ট নিয়ে বিশাল আগ্রহ সবার। বাংলাদেশও কাঁপবে বিশ্বকাপের জ্বরে। নতুন বছরে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে ফুটবল উৎসবে ভেসে যাওয়ার এক বছর।
লেখক: সাবেক অধিনায়ক, বাংলাদেশ ফুটবল দল

নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
১৮ মিনিট আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
১ ঘণ্টা আগে
বিদায় নিল ২০২৫। এল ২০২৬। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের গ্রুপ পর্ব শেষ হয়েছে। তাতে নির্ধারিত হয়েছে ২০২৫-২৬ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) শেষ ষোলোর লাইনআপ।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলের ব্যস্ততার বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও। ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে