
আরেকটা গোল পাওনা হয়ে গিয়েছিল লিওনেল মেসির কাছ থেকে। এত রেকর্ডের এক রাত, সেই রাত আরও আলো ছড়াত যদি আরেকটি গোল পেতেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ভবিষ্যতের জন্য সেই রেকর্ডকে তুলে রেখে আজ রাতটা উদযাপনেই পার করে দেবে মেসি ও তাঁর দল আর্জেন্টিনা।
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে গতকাল রাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আর্জেন্টিনার পরীক্ষা নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সেই পরীক্ষায় ২-১ গোলে জিতে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ আটে উঠে গেছে লিওনেল স্কালোনির দল। ৯ ডিসেম্বর রাত ১টায় দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি ছিল দেশের হয়ে মেসির ১৬৯তম ম্যাচ। বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে মেসির ম্যাচের সংখ্যা ৮৩১। মাইলফলকের ম্যাচেই কিনা মেসি পাননি প্রিয় সতীর্থ আনহেল ডি মারিয়াকে।
আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল স্কালোনি ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাও খেলতে পারেন ডি মারিয়া। ম্যাচের একাদশ আসতেই দেখা গেল ডি মারিয়ার পরিবর্তে একাদশে সেভিয়া মিডফিল্ডার আলেহান্দ্রো পাপু গোমেজের নাম। চোট ছিল ছিল পিএসজি তারকার। ছিল একটি হলুদ কার্ডও।
সেই শঙ্কাটা বড় হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ান ক্রমাগত আক্রমণ আর আগ্রাসী মেজাজে। আক্রমণাত্মক মেজাজেই মেসির সঙ্গে লেগে গেলেন অজি ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ। আর সেটাই যেন কাল হলো অস্ট্রেলিয়ার। তেতেই ছিলেন মেসি। ম্যাচের প্রথম সুযোগের দারুণ সদ্ব্যবহার করে নিজের সহস্র ম্যাচের রাতে গড়লেন আরেক কীর্তি।
৩৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রিকিক নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডাররা প্রথম সুযোগে বিপদমুক্ত করতে না পারায় বল ঘোরাফেরা করছিল আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের পায়েই। সেখান থেকেই নিকোলাস ওতামেন্দির পায়ে বল বাড়ান আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। বলটা পেয়েই মেসিকে পাস বাড়ান ওতামেন্দি। বল পায়ে নিয়েই কোনাকুনি শটে জালে পাঠিয়ে দেন মেসি। নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে প্রথমবারের মতো নকআউটে গোল পেলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর! একই সঙ্গে বিশ্বকাপ গোলে ছাড়িয়ে গেলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনাকেও। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এটি মেসির নবম গোল ও চলতি বিশ্বকাপে চতুর্থ। ১০ গোলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের কীর্তিটা এখন পর্যন্ত গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার।
দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে যখন সমতায় ফেরার চেষ্টা, তখনই আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো গোল উপহার দিয়ে বসলেন অস্ট্রেলিয়ান গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ান। ৫৭ মিনিটে নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করে গোলরক্ষকের কাছে পাস বাড়িয়েছিলেন ডিফেন্ডার কাই রোলেস। দুই পাশ থেকে রদ্রিগো ডি পল ও হুলিয়ান আলভারেজকে এগিয়ে আসতে দেখে চাপে পড়ে যান রায়ান। ভুলে পাস দিয়ে বসেন আলভারেজকে। গোল সন্ধানী আলভারেজ সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন জয়ের পথে। এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে গোল পেলেন ম্যানসিটি তারকা।
এই গোলে যখন জয়ের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা, তখনই অপ্রত্যাশিতভাবে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। ৭৭ মিনিটে ক্রেইগ গুডউইনের শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে দিক পাল্টে জড়ায় জালে।
পাঁচ মিনিট পর আজিজ বেহিচ প্রায় সমতায় ফিরিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। দারুণ গতিতে একাই বক্সে ঢুকে শট নেওয়ার মুখে তার শট ঠেকান লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। মেসির বদ্যানতায় তিনবার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। লাওতারো মার্তিনেজ, মেসি এ যাত্রায় হার মানাতে পারেননি ম্যাথু রায়ানকে। শেষ মিনিটে দারুণ এক সেভে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফিরতে দেননি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

আরেকটা গোল পাওনা হয়ে গিয়েছিল লিওনেল মেসির কাছ থেকে। এত রেকর্ডের এক রাত, সেই রাত আরও আলো ছড়াত যদি আরেকটি গোল পেতেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ভবিষ্যতের জন্য সেই রেকর্ডকে তুলে রেখে আজ রাতটা উদযাপনেই পার করে দেবে মেসি ও তাঁর দল আর্জেন্টিনা।
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়ামে গতকাল রাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আর্জেন্টিনার পরীক্ষা নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সেই পরীক্ষায় ২-১ গোলে জিতে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ আটে উঠে গেছে লিওনেল স্কালোনির দল। ৯ ডিসেম্বর রাত ১টায় দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি ছিল দেশের হয়ে মেসির ১৬৯তম ম্যাচ। বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে মেসির ম্যাচের সংখ্যা ৮৩১। মাইলফলকের ম্যাচেই কিনা মেসি পাননি প্রিয় সতীর্থ আনহেল ডি মারিয়াকে।
আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল স্কালোনি ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাও খেলতে পারেন ডি মারিয়া। ম্যাচের একাদশ আসতেই দেখা গেল ডি মারিয়ার পরিবর্তে একাদশে সেভিয়া মিডফিল্ডার আলেহান্দ্রো পাপু গোমেজের নাম। চোট ছিল ছিল পিএসজি তারকার। ছিল একটি হলুদ কার্ডও।
সেই শঙ্কাটা বড় হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ান ক্রমাগত আক্রমণ আর আগ্রাসী মেজাজে। আক্রমণাত্মক মেজাজেই মেসির সঙ্গে লেগে গেলেন অজি ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ। আর সেটাই যেন কাল হলো অস্ট্রেলিয়ার। তেতেই ছিলেন মেসি। ম্যাচের প্রথম সুযোগের দারুণ সদ্ব্যবহার করে নিজের সহস্র ম্যাচের রাতে গড়লেন আরেক কীর্তি।
৩৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রিকিক নিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডাররা প্রথম সুযোগে বিপদমুক্ত করতে না পারায় বল ঘোরাফেরা করছিল আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের পায়েই। সেখান থেকেই নিকোলাস ওতামেন্দির পায়ে বল বাড়ান আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। বলটা পেয়েই মেসিকে পাস বাড়ান ওতামেন্দি। বল পায়ে নিয়েই কোনাকুনি শটে জালে পাঠিয়ে দেন মেসি। নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপে এসে প্রথমবারের মতো নকআউটে গোল পেলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর! একই সঙ্গে বিশ্বকাপ গোলে ছাড়িয়ে গেলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনাকেও। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে এটি মেসির নবম গোল ও চলতি বিশ্বকাপে চতুর্থ। ১০ গোলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের কীর্তিটা এখন পর্যন্ত গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার।
দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে যখন সমতায় ফেরার চেষ্টা, তখনই আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো গোল উপহার দিয়ে বসলেন অস্ট্রেলিয়ান গোলরক্ষক ম্যাথু রায়ান। ৫৭ মিনিটে নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করে গোলরক্ষকের কাছে পাস বাড়িয়েছিলেন ডিফেন্ডার কাই রোলেস। দুই পাশ থেকে রদ্রিগো ডি পল ও হুলিয়ান আলভারেজকে এগিয়ে আসতে দেখে চাপে পড়ে যান রায়ান। ভুলে পাস দিয়ে বসেন আলভারেজকে। গোল সন্ধানী আলভারেজ সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন জয়ের পথে। এ নিয়ে টানা দুই ম্যাচে গোল পেলেন ম্যানসিটি তারকা।
এই গোলে যখন জয়ের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা, তখনই অপ্রত্যাশিতভাবে ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। ৭৭ মিনিটে ক্রেইগ গুডউইনের শট এনজো ফার্নান্দেজের মাথায় লেগে দিক পাল্টে জড়ায় জালে।
পাঁচ মিনিট পর আজিজ বেহিচ প্রায় সমতায় ফিরিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। দারুণ গতিতে একাই বক্সে ঢুকে শট নেওয়ার মুখে তার শট ঠেকান লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। মেসির বদ্যানতায় তিনবার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। লাওতারো মার্তিনেজ, মেসি এ যাত্রায় হার মানাতে পারেননি ম্যাথু রায়ানকে। শেষ মিনিটে দারুণ এক সেভে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফিরতে দেননি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে