দুর্ভাগাদের দলে নামটা প্রায় তুলেই ফেলেছিল ইকুয়েডর। বাছাইপর্বের বাধা ডিঙিয়ে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেও শঙ্কায় ছিল খেলতে না পারার।
ইকুয়াডোরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (এফইএফ) বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এক খেলোয়াড়ের জন্মস্থান ও তারিখ জালিয়াতির অভিযোগ এনেছিল চিলি। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা হারাতে হতো ইকুয়েডরকে।
তবে তদন্তের পর চিলির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা। ফলে কাতার বিশ্বকাপে খেলতে আর কোনো বাধা রইল না দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির।
আজ রাতে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফিফা। অবশ্য এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিফা আপিল কমিটির কাছে ফের আবেদন করার সুযোগ আছে চিলির সামনে।
চিলি তাদের অভিযোগপত্রে দাবি করে, ভুয়া জন্মসনদ ও নাগরিকত্ব সনদ বানিয়ে এবারের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ইকুয়েডর দলে খেলেছেন ডিফেন্ডার বাইরন কাস্টিয়ো। আসলে তাঁর জন্ম কলম্বিয়ার তুমাকোয়। এ কারণে শাস্তি হিসেবে ইকুয়েডরকে বিশ্বকাপের অযোগ্য ঘোষণা করে নিজেদের সুযোগ দিতে বলে চিলি।
দক্ষিণ আমেরিকান (কনমেবল) অঞ্চলের বাছাইয়ে চতুর্থ হয়ে কাতারের টিকিট পেয়েছিল ইকুয়েডর। যদি তাদের বহিষ্কার করা হতো, তাহলে ১৪ পয়েন্ট হারিয়ে নয়ে নেমে যেত। আর চিলি আরও ৫ পয়েন্ট পেয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করত। কারণ, তাদের বিপক্ষে দুই লেগেই খেলেছেন কাস্টিয়ো।
ফিফার সিদ্ধান্ত জানার পর ইকুয়াডোরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফ্রান্সিসকো এগাস উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘ক্রীড়াক্ষেত্রে আজ ন্যায় বিচার হলো। জানতাম, আমরা সব সময়ই ঠিক ছিলাম।’

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২১ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে