ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ানোই মানে আর্জেন্টিনার জয়-এমিলিয়ানো মার্তিনেজ যেন সেটা এক রকম নিয়ম বানিয়ে ফেলেছেন। কাতার বিশ্বকাপে গোলবারের নিচে এই পরীক্ষায় ভালোভাবেই উতড়ে গেছেন মার্তিনেজ। ফ্রান্সের বিপক্ষে আজ ফাইনালে এই গোলরক্ষকের অসাধারণ নৈপুণ্যে তৃতীয় শিরোপার স্বাদ পেল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ ক্লিন শিট রাখা এই গোলরক্ষক জিতেছেন ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস।
লুসাইলে আজ আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ম্যাচ প্রতি মুহূর্তে মুহূর্তে রোমাঞ্চ ছড়িয়েছিল। ১২০ মিনিটে ম্যাচ শেষ হয় ৩-৩ সমতায়। এরপর গড়ায় টাইব্রেকারে। কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রথম শট মার্তিনেজ ঠেকাতে পারেননি। তখন হয়তো আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মনে মনে বলছিলেন, ‘পিকচার আভি বাকি হ্যাঁ।’ কিংসলে কোমান, অরিলিয়ে চুয়ামেনি-ফরাসি এই দুই ফুটবলারের শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন মার্তিনেজ। তাতেই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
কাতার বিশ্বকাপে শুধু এই ম্যাচেই নয়, কোয়ার্টারেও পেনাল্টি শ্যুটআউট পরীক্ষায় উতড়ে গিয়েছিলেন মার্তিনেজ। লুসাইলেই গত ৯ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডসের ভার্জিল ফন ডাইক, স্টিভেন বার্গুইসের শট প্রতিহত করেছিলেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।
শুধু লুসাইলেই নয়, গত বছর কোপা আমেরিকাতেও গোলবারের নিচে দুর্দান্ত ছিলেন মার্তিনেজ। কলম্বিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে পেনাল্টিতে তাঁর দুর্দান্ত কিপিংয়ের প্রশংসা এখনো অনেকের মুখে মুখে। গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে মূল ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়েছিল। এরপর পেনাল্টির সময়ে ডেভিনসন স্যানচেজ, ইয়েরি মিনা, এদুইন কার্দোনা-কলম্বিয়ার এই তিন ফুটবলারের শট ঠেকিয়ে আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকার ফাইনালে তুলেছিলেন মার্তিনেজ।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
৪ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১২ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২১ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৩৭ মিনিট আগে