
যেখানেই কোচিং করিয়েছেন, সেখানেই নিজের দর্শনের ছাপটা রেখেছেন পেপ গার্দিওলা। দর্শনটা অবশ্য খেলোয়াড়িজীবনের ক্যারিয়ার থেকেই ধারণ করে আসছেন তিনি। নিজ পন্থায় সফলতা পাওয়া।
এটি করতে গিয়ে দুর্দান্ত এক ছাপ রেখেছেন ক্লাব ফুটবলে। গুরু ইয়োহান ক্রুইফের ‘টোটাল ফুটবলের’ কৌশলকে ঘষামাজা করে একের পর এক সাফল্য পাচ্ছেন গার্দিওলা। সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ যেমনই হোক না কেন, ফল বের করে নিয়ে আসছেন তিনি।
তা না হলে কীভাবে ভিন্ন ভিন্ন তিন দলকে নিজেদের লিগে টানা তৃতীয়বার শিরোপা এনে দেন গার্দিওলা! গতকাল আর্সেনালের হারের মধ্য দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির টানা তৃতীয় লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়। আর এতেই রেকর্ড বুকে নিজের নামটা অনন্য করে রাখলেন স্প্যানিশ কোচ।
ক্লাব ফুটবলে তিনটি ভিন্ন লিগের তিন দলকে হ্যাটট্রিক শিরোপা এনে দেওয়া বিশ্বের একমাত্র কোচ হয়েছেন গার্দিওলা। এমন রেকর্ড নেই কোচদের অন্যতম সেরা স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, কার্লো আনচেলত্তিসহ বাকিদের।
গার্দিওলা শুরুটা করেছেন নিজের প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনায়। ২০০৮ সালে ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার মৌসুমেই দলকে লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। সেই ধারা অব্যাহত থাকে ২০১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত। এ সময়ই আবার কাতালান ক্লাবকে দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জেতান তিনি। ২০০৮-০৯ ও ২০১০-১১ মৌসুমে তাঁর অধীনেই মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্বাদ পায় বার্সা। সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১২—এই চার বছর বার্সার কোচিং ক্যারিয়ার অন্য প্রতিযোগিতার শিরোপা তো ছিলই।
বার্সেলোনার মিশন শেষে ২০১৩ সালে বুন্দেসলিগার সেরা দল বায়ার্ন মিউনিখের ডাগআউটে যোগ দেন গার্দিওলা। ২০১৬ সালে যখন ক্লাব ছাড়েন, তখন তাঁর নামের পাশে বুন্দেসলিগার টানা তিন শিরোপা। ২০১৩-১৪ থেকে শুরু করে ২০১৫-১৬ মৌসুমে কোনো দলই তাঁর রাজত্বে পা রাখার সাহস পায়নি। তবে এ সময় দলের হয়ে সব মিলিয়ে ৭টি শিরোপা জিতলেও চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বাদ আর নিতে পারেননি।
সেই স্বাদের খোঁজেই ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন গার্দিওলা। বার্সার হয়ে স্প্যানিশ কোচ জিতলেও সিটিজেনদের সেই সুযোগ হয়নি কখনো। তাই ক্লাবও মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিততে তাঁকে দায়িত্ব দেয়। দুই পক্ষের হিসাব মিললেও ফল পায় না তারা। ২০২০-২১ মৌসুমে সুযোগ পেলেও আরেক ইংলিশ ক্লাব চেলসির কাছে ১-০ গোলে হেরে আশাহত হতে হয় তাদের।
ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে বারবার খালি হাতে ফিরলেও ঘরোয়া টুর্নামেন্টে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখাতে থাকে সিটি। প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা জেতার সঙ্গে প্রতিপক্ষের ওপর এমন নিরঙ্কুশ আধিপত্যে আর কোনো দল দেখাতে পারেনি, যার ফল এবারের আগের দুই মৌসুমেও সিটির শিরোপা জয়। সব মিলিয়ে শেষ ছয় মৌসুমে পাঁচ বারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গার্দিওলার দল।
শুধু লিগ জয়ের হ্যাটট্রিকই নয়, এবার ট্রেবল জয়ের সুযোগ রয়েছে ম্যানসিটির। আগামী ৩ জুন এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারাতে পারলে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে তারা। আর ষোলোকলা পূর্ণ করার সুযোগ পাবে ১০ জুন ইস্তাম্বুলে। সেদিন ইন্টার মিলানকে হারাতে পারলে ট্রেবল তো নিশ্চিত হবেই, সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথমবারে মতো শিরোপা জিতবে সিটিজেনরা।

যেখানেই কোচিং করিয়েছেন, সেখানেই নিজের দর্শনের ছাপটা রেখেছেন পেপ গার্দিওলা। দর্শনটা অবশ্য খেলোয়াড়িজীবনের ক্যারিয়ার থেকেই ধারণ করে আসছেন তিনি। নিজ পন্থায় সফলতা পাওয়া।
এটি করতে গিয়ে দুর্দান্ত এক ছাপ রেখেছেন ক্লাব ফুটবলে। গুরু ইয়োহান ক্রুইফের ‘টোটাল ফুটবলের’ কৌশলকে ঘষামাজা করে একের পর এক সাফল্য পাচ্ছেন গার্দিওলা। সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশ যেমনই হোক না কেন, ফল বের করে নিয়ে আসছেন তিনি।
তা না হলে কীভাবে ভিন্ন ভিন্ন তিন দলকে নিজেদের লিগে টানা তৃতীয়বার শিরোপা এনে দেন গার্দিওলা! গতকাল আর্সেনালের হারের মধ্য দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির টানা তৃতীয় লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়। আর এতেই রেকর্ড বুকে নিজের নামটা অনন্য করে রাখলেন স্প্যানিশ কোচ।
ক্লাব ফুটবলে তিনটি ভিন্ন লিগের তিন দলকে হ্যাটট্রিক শিরোপা এনে দেওয়া বিশ্বের একমাত্র কোচ হয়েছেন গার্দিওলা। এমন রেকর্ড নেই কোচদের অন্যতম সেরা স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, কার্লো আনচেলত্তিসহ বাকিদের।
গার্দিওলা শুরুটা করেছেন নিজের প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনায়। ২০০৮ সালে ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার মৌসুমেই দলকে লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। সেই ধারা অব্যাহত থাকে ২০১০-১১ মৌসুম পর্যন্ত। এ সময়ই আবার কাতালান ক্লাবকে দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জেতান তিনি। ২০০৮-০৯ ও ২০১০-১১ মৌসুমে তাঁর অধীনেই মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্বাদ পায় বার্সা। সঙ্গে ২০০৮ থেকে ২০১২—এই চার বছর বার্সার কোচিং ক্যারিয়ার অন্য প্রতিযোগিতার শিরোপা তো ছিলই।
বার্সেলোনার মিশন শেষে ২০১৩ সালে বুন্দেসলিগার সেরা দল বায়ার্ন মিউনিখের ডাগআউটে যোগ দেন গার্দিওলা। ২০১৬ সালে যখন ক্লাব ছাড়েন, তখন তাঁর নামের পাশে বুন্দেসলিগার টানা তিন শিরোপা। ২০১৩-১৪ থেকে শুরু করে ২০১৫-১৬ মৌসুমে কোনো দলই তাঁর রাজত্বে পা রাখার সাহস পায়নি। তবে এ সময় দলের হয়ে সব মিলিয়ে ৭টি শিরোপা জিতলেও চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বাদ আর নিতে পারেননি।
সেই স্বাদের খোঁজেই ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেন গার্দিওলা। বার্সার হয়ে স্প্যানিশ কোচ জিতলেও সিটিজেনদের সেই সুযোগ হয়নি কখনো। তাই ক্লাবও মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিততে তাঁকে দায়িত্ব দেয়। দুই পক্ষের হিসাব মিললেও ফল পায় না তারা। ২০২০-২১ মৌসুমে সুযোগ পেলেও আরেক ইংলিশ ক্লাব চেলসির কাছে ১-০ গোলে হেরে আশাহত হতে হয় তাদের।
ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে বারবার খালি হাতে ফিরলেও ঘরোয়া টুর্নামেন্টে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখাতে থাকে সিটি। প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা জেতার সঙ্গে প্রতিপক্ষের ওপর এমন নিরঙ্কুশ আধিপত্যে আর কোনো দল দেখাতে পারেনি, যার ফল এবারের আগের দুই মৌসুমেও সিটির শিরোপা জয়। সব মিলিয়ে শেষ ছয় মৌসুমে পাঁচ বারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গার্দিওলার দল।
শুধু লিগ জয়ের হ্যাটট্রিকই নয়, এবার ট্রেবল জয়ের সুযোগ রয়েছে ম্যানসিটির। আগামী ৩ জুন এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারাতে পারলে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে তারা। আর ষোলোকলা পূর্ণ করার সুযোগ পাবে ১০ জুন ইস্তাম্বুলে। সেদিন ইন্টার মিলানকে হারাতে পারলে ট্রেবল তো নিশ্চিত হবেই, সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথমবারে মতো শিরোপা জিতবে সিটিজেনরা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম
১৭ মিনিট আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিনদিনের ভ্রমণ শেষে আজ ঢাকায় পৌঁছেছে বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত সবাইকে ট্রফি দেখার সুযোগ করে দেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। সেখানে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধ
৩৮ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি।
২ ঘণ্টা আগে
সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষদের খেলা শুরু হচ্ছে আজ। উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। একই দিন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৪টায়। খেলা দেখা যাবে স্পোর্টজওয়ার্কজ ইউটিউব চ্যানেলে।
২ ঘণ্টা আগে