আরেকটি নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। শেষ মুহূর্তে দুই গোল করে ইংল্যান্ডকে ২–১ ব্যবধানে হারানোর পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, এই আর্জেন্টিনা দলকে আলাদা করে তুলেছে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা।
ম্যাচ শেষে স্কালোনি বলেন, ‘আমরা অনন্য। এটা অহংকার নয়, হৃদয় থেকে বলছি। আমার ভাষা হারিয়ে গেছে। এটা আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের জন্য বিরাট আনন্দের মুহূর্ত। এই দল আমাকে কখনো বিস্মিত করা থামায় না। খেলোয়াড়রা দলের জন্য যা করছে, সেটা মানুষকে বোঝানো খুব কঠিন।’
স্কালোনির চোখে তাঁর দলের সবচেয়ে বড় শক্তি আত্মনিবেদন, ‘তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কিছুই বাকি রাখে না। নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দেয়। রোববারও আমরা জয়ের জন্য সর্বস্ব দিয়ে লড়ব।’
আটলান্টা স্টেডিয়ামে উপস্থিত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতিত্ব দিতেও ভুললেন না আর্জেন্টিনা কোচ,‘আজ এই মানুষগুলো আমাদের ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও ম্যাচে ফিরে এসেছে আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসর গোলে জয় নিশ্চিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা। রোববার নিউ জার্সিতে শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কাতার বিশ্বকাপে মোট পুরস্কার ছিল ৪৪ কোটি মার্কিন ডলার।
১০ মিনিট আগে
ম্যাচজয়ী গোলের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি লাউতারো। কথা বলতে গিয়েই কেঁদে ফেলেন তিনি। সেই সময় তাঁর মনে পড়ছিল ফুটবলজীবনের শুরুর দিনগুলোর কথা, ‘এটা সত্যিই খুব বড় একটা অনুভূতি। বাবা যখন প্রথম আমার জন্য একজোড়া বুট কিনে দিয়েছিলেন, তখন থেকেই এই গোল করার স্বপ্ন দেখেছি
৩৩ মিনিট আগে
গোল খেয়েই মাথা ঝাড়া দিয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের কিছু অসাধারণ সেভে ইংলিশদের কোনোভাবে রক্ষা। পরিসংখ্যান–রেকর্ড যদিও লা আলবিসেলেস্তেদের পক্ষে কথা বলছিল বারবার। আগের পাঁচটি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালেই জিতে ফাইনালে উঠেছে তারা। টানা ষষ্ঠ সেমিফাইনাল
১ ঘণ্টা আগে
নায়ক হওয়ার জন্য পেদ্রো পোরোর নাম কেউ আগে থেকে লিখে রাখেনি। এমন মঞ্চে আলোটা সাধারণত ফরোয়ার্ডদের জন্যই তোলা থাকে। গোল করলে তাঁদের নিয়ে কথা হয়, ম্যাচ জিতলে তাঁদের মুখই ছাপা হয় পরদিনের পত্রিকায়। রাইটব্যাকের কাজ বরং উল্টো; তাঁদের পারফরম্যান্সে পূর্ণতা মেলে তখনই, যখন আলাদা করে কাউকে কথা বলতে হয় না।
৩ ঘণ্টা আগে