
বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে শিরোপা তো আছেই, সঙ্গে আছে রেকর্ড অঙ্কের অর্থ পুরস্কারও। ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যে দল শিরোপা জিতবে, তারা পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬১০ কোটি।
আটলান্টায় ইংল্যান্ডকে ২–১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়লেও শেষ দিকে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় লিওনেল স্কালোনির দল। এর আগে স্পেন সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে।
২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কাতার বিশ্বকাপে মোট পুরস্কার ছিল ৪৪ কোটি মার্কিন ডলার।
শুধু চ্যাম্পিয়ন নয়, রানার্সআপ দলও পাবে বড় অঙ্কের অর্থ। রানার্সআপের জন্য রাখা হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, আর চতুর্থ স্থান পাওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই নিশ্চিতভাবে অর্থ পুরস্কার পেয়েছে। শুধু মূল পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য প্রতিটি দল পেয়েছে ৯০ লাখ ডলার। এর বাইরে প্রস্তুতি ব্যয় বাবদ আরও ২০ লাখ ডলার বরাদ্দ দিয়েছে ফিফা।

তবে মাঠের উদ্যাপনের বাইরেও আর্জেন্টিনার মূল অর্জন ছিল ফুটবলেই। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও শেষ দিকে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
৬ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা রেফারিংয়ে সুবিধা পাচ্ছে—এমন আলোচনা নিয়েও কথা বলেছেন স্কালোনি। তাঁর মতে, ভিএআরের যুগে এমন অভিযোগের ভিত্তি খুবই দুর্বল। তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা চলতেই পারে, আমার তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু এখন ভিএআর আছে। এই সময়ে কাউকে সাহায্য করা খুব কঠিন। আমরা জানতাম, আমাদের জন্য কোনো সাহায্য থাকবে
১৬ মিনিট আগে
রোববারের ফাইনাল শুধু সেই ছবির দুই চরিত্রকে আবার মুখোমুখি করবে না, গড়তে পারে দুটি আলাদা রেকর্ডও। ফাইনালে খেলতে নামলে ৩৯ বছর ২৫ দিন বয়সে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় হবেন মেসি। বর্তমানে এই রেকর্ড সুইডেনের গুনার গ্রেনের। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর ২৩৬ দিন। সব
৪০ মিনিট আগে
ম্যাচজয়ী গোলের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি লাউতারো। কথা বলতে গিয়েই কেঁদে ফেলেন তিনি। সেই সময় তাঁর মনে পড়ছিল ফুটবলজীবনের শুরুর দিনগুলোর কথা, ‘এটা সত্যিই খুব বড় একটা অনুভূতি। বাবা যখন প্রথম আমার জন্য একজোড়া বুট কিনে দিয়েছিলেন, তখন থেকেই এই গোল করার স্বপ্ন দেখেছি
১ ঘণ্টা আগে