
৮৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচটা যেন ইংল্যান্ডেরই ছিল। এরপর ৭ মিনিটের ব্যবধানে বদলে গেল। প্রথমে এনসো ফের্নান্দেজ সমতা ফেরান। যোগ করা সময়ে লিওনেল মেসির বাড়ানো বলে হেড করে আর্জেন্টিনাকে ২–১ গোলের জয় এনে দেন লাউতারো মার্তিনেস। সেই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়া লাউতারো পরে জানিয়েছেন, গোলটি নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাস ছিল আগেই। শুধু নিজের মনেই নয়, সতীর্থদের কাছেও সেই বিশ্বাসের কথা বলেছিলেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার।
ম্যাচ শেষে লাউতারো বলেন, ‘আমি এটা স্বপ্নে দেখেছিলাম। আলেক্সিস মাক আলিস্তারকে বলেছিলাম আমি গোল করব। বেঞ্চে থাকা ফাকু মেদিনাকেও বলেছিলাম, মাঠে নেমে ম্যাচটা জিতিয়ে দেব। এনসোও অসাধারণ একটি গোল করেছে।’
শুরুতে ইংল্যান্ডের হাই প্রেসিং চাপে ফেলেছিল আর্জেন্টিনাকে। তবে এগিয়ে যাওয়ার সেই চাপ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। লাউতারো বলেন, ‘এই দল আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কী দিয়ে তৈরি। ওরা ৬০ মিনিট আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, এরপর আর পারেনি। গোল করার পর ওরা আরও পেছনে নেমে যায়। তখন আমরা মাঠটা চওড়া করে খেলেছি এবং শেষ পর্যন্ত দুই গোল করতে পেরেছি। সাড়ে তিন বছর পর আমরা আবার বিশ্বকাপের একটি ফাইনালে খেলব।’
ম্যাচজয়ী গোলের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি লাউতারো। কথা বলতে গিয়েই কেঁদে ফেলেন তিনি। সেই সময় তাঁর মনে পড়ছিল ফুটবলজীবনের শুরুর দিনগুলোর কথা, ‘এটা সত্যিই খুব বড় একটা অনুভূতি। বাবা যখন প্রথম আমার জন্য একজোড়া বুট কিনে দিয়েছিলেন, তখন থেকেই এই গোল করার স্বপ্ন দেখেছি। আমি যখন রাসিংয়ে চলে যাই, তারপরও মা কোনো দিন আমার বিছানা গুছিয়ে রাখা বন্ধ করেননি। আমার কাছে সেটার মূল্য একটা গোল বা একটা বিশ্বকাপ ফাইনালের চেয়েও বেশি। আমার দুই সন্তান আমার জীবন বদলে দিয়েছে। এখন আমি জীবনটা উপভোগ করি।’

তবে মাঠের উদ্যাপনের বাইরেও আর্জেন্টিনার মূল অর্জন ছিল ফুটবলেই। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও শেষ দিকে এনসো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল।
৬ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা রেফারিংয়ে সুবিধা পাচ্ছে—এমন আলোচনা নিয়েও কথা বলেছেন স্কালোনি। তাঁর মতে, ভিএআরের যুগে এমন অভিযোগের ভিত্তি খুবই দুর্বল। তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা চলতেই পারে, আমার তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু এখন ভিএআর আছে। এই সময়ে কাউকে সাহায্য করা খুব কঠিন। আমরা জানতাম, আমাদের জন্য কোনো সাহায্য থাকবে
১৬ মিনিট আগে
রোববারের ফাইনাল শুধু সেই ছবির দুই চরিত্রকে আবার মুখোমুখি করবে না, গড়তে পারে দুটি আলাদা রেকর্ডও। ফাইনালে খেলতে নামলে ৩৯ বছর ২৫ দিন বয়সে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় হবেন মেসি। বর্তমানে এই রেকর্ড সুইডেনের গুনার গ্রেনের। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর ২৩৬ দিন। সব
৪০ মিনিট আগে
২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কাতার বিশ্বকাপে মোট পুরস্কার ছিল ৪৪ কোটি মার্কিন ডলার।
১ ঘণ্টা আগে