লিওনেল মেসির প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছাড়ার পর পেরিয়ে গেছে কয়েক মাস। মেসি এখন দারুণ সময় কাটাচ্ছেন ইন্টার মায়ামিতে। তবু সাবেক ক্লাবের কিছু ঘটনার রেশ রয়ে গেছে এখনো। তেমন এক ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ ঝারার পর পিএসজি প্রধানের থেকে কড়া জবাব পেয়েছেন মেসি।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ফ্রান্স-আর্জেন্টিনা। ধ্রুপদী সেই ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। এরপর থেকেই যেন ফ্রান্সের ‘শত্রু’ হয়ে যায় আর্জেন্টিনা দল। প্রভাব পড়েছিল মেসির ওপরও। এ ব্যাপারে কদিন আগে ওলগা চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার। মেসি তখন বলেন, ‘আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের ২৫ জনের মধ্যে আমিই একমাত্র খেলোয়াড়, যে ক্লাব থেকে কোনো স্বীকৃতি পায়নি।’
মেসির এমন বক্তব্যের পর পাল্টা জবাব দিয়েছেন পিএসজি প্রধান নাসের আল খেলাইফি। তার মতে, মেসিকে তাদের ফোকাসে রাখা হতো। যেখানে সাত বারের ব্যালন ডি অর জয়ীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিল পিএসজি। একই সঙ্গে খেলাইফি এক পুরোনো ঘটনার কথাও যেন মনে করিয়ে দিয়েছেন। যেখানে বিশ্বকাপের পর মেসি পিএসজির অনুশীলন ক্যাম্পে ফিরলে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছিল। খেলাইফি বলেন, ‘আমরা অনুশীলনে মেসিকে নিয়ে উদযাপন করি। তার সঙ্গে আলাদাভাবেও উদযাপন করি। যখন আমরা কোনো ভিডিও প্রকাশ করি, আপনারা তো সবই দেখেছেন। একই সঙ্গে বলছি যে আমরা ফরাসি ক্লাব। স্টেডিয়ামে উদযাপন করা কঠিন। সে যে দলকে (ফ্রান্স) হারিয়েছে, তাকে সম্মান জানানো উচিত। ফ্রান্স দলে তার সতীর্থ রয়েছে।’
২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত পিএসজিতে খেলেছেন মেসি। মায়ামির জার্সিতে ৭৫ ম্যাচ খেলে ৩২ গোল করেছেন ও ৩৫ গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। দুটো লিগ ওয়ান, একটি ট্রফি দেস চ্যাম্পিয়নস-তিনটি শিরোপা পিএসজির জার্সিতে জিতেছেন মেসি। আর ইন্টার মায়ামিতে খেলার এক মাসের মধ্যেই জিতেছেন লিগ কাপ। মায়ামির ইতিহাসে যা প্রথম কোনো মেজর শিরোপা।

আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩তম মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চ
২ মিনিট আগে
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।
১১ মিনিট আগে
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
২০ মিনিট আগে
সবকিছুই যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল। স্কোরবোর্ডে ২–০, সময় গড়িয়ে ৬৭ মিনিট। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছেন লিওনেল মেসি, মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর হয়ে উঠেছেন দুর্ভেদ্য প্রাচীর। আর্জেন্টিনার বিদায় তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের গল্প কি এত সহজে শেষ হয়!
৩৬ মিনিট আগে