
মালের মাটিতে ইতিহাস গড়ে দেশে ফেরা সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নদের ঘিরে রাজধানীর হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটার গতকাল রাতে রূপ নেয় আবেগ, উচ্ছ্বাস আর গর্বের মিলনমেলায়। আলোকোজ্জ্বল মঞ্চ, সমর্থকের করতালি আর ক্যামেরার ঝলকানির মাঝ কেন্দ্রতে ছিলেন শুধুই খেলোয়াড়েরা।
বিমানবন্দরে সংবর্ধনা আর ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণ শেষে এই আয়োজন যেন হয়ে ওঠে তাঁদের সাফল্যের পূর্ণতা পাওয়ার মুহূর্ত। মঞ্চে উঠেই অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ সরলতায় বলেন, ‘সবাই কেমন আছেন? সবাই খুশি তো? এই ট্রফির পেছনে অনেক ঘাম এবং অনেক শ্রম তো আছেই, নাকি? এটা আপনাদের জন্য, শুধু আপনাদের জন্য।’
মিঠুর পর মঞ্চে আসেন হেড কোচ মার্ক কক্স। শুরু থেকেই তাঁর কণ্ঠে ছিল দৃঢ়তা আর গর্বের সুর। তিনি বলেন, ‘এই ছেলেরা, তাদের প্রত্যেকে রক্ত ঘাম করেছে, নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য নিজেদের জীবন বাজি রেখেছে।’
চুক্তি কেবল এক মাসের হলেও ভবিষ্যতে বড় কিছু স্বপ্ন দেখার জ্বালানি দিয়ে রাখলেন কক্স, ‘যখন আমরা গিয়েছিলাম, আমরা কথা দিয়েছিলাম যে আমরা আপনাদের ১৯৭১-এর চেতনা—আপনাদের ইতিহাস দেখাব—এবং আমরা তা করে দেখিয়েছি। আমরা আবারও করে দেখাব। এখানকার এই ছেলেরাই করে দেখাবে, এএফসি এশিয়ান কাপ ও ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে।’
কক্সের কথার সুরেই বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন ট্রফিটা আমরা অর্জন করেছি, সেটাকে শুধু একটা দিনের শ্রম হিসেবে আমরা দেখছি না। গতকাল (পরশু) দেখছি আমাদের যাত্রার একটা শুরু—যে যাত্রার কথা কক্স বলেছে, হয়তো এখন থেকে শুরু করলাম, আশা করি ২০৩৬ (আসলে ২০৩৪) সালে যে যাত্রায় আমরা পৌঁছাব।’
টুর্নামেন্টজুড়ে অপরাজিত থাকা এই দলটি প্রতিটি ম্যাচেই দেখিয়েছে মানসিক দৃঢ়তা। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে টাইব্রেকারের স্নায়ুচাপ সামলে জয়ের মুহূর্তটি এখনো সতেজ খেলোয়াড়দের মনে। যাঁর শটে এসেছে শিরোপা, সেই রোনান সুলিভান বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমি এখন কেবল ইংরেজি বলতে পারি, তবে পুরো টুর্নামেন্টে তারা বারবার একই প্রশ্ন করছিল। তারা বলছিল, পাকিস্তান সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? নেপাল সম্পর্কে কী ভাবছেন? ভারত সম্পর্কে কী মত? তারা জিজ্ঞেস করছিল যে আমরা না জিতলে কোথায় যেতাম? আমার মনে হয়, আমরা তা কখনোই জানতে পারব না!’
রোনানের যমজ ভাই ডেকলান সুলিভানের কাছে বাংলাদেশি সমর্থকেরাই সেরা, ‘আমি বাংলা বলতে পারি না, কিন্তু আমি উপস্থিত দর্শকদের জানাতে চাই যে অনলাইনে আপনারা আমাকে যে পরিমাণ সমর্থন দিয়েছেন এবং মালদ্বীপে যত বিপুলসংখ্যক সমর্থক উপস্থিত হয়েছেন, তার জন্য আমি কতখানি কৃতজ্ঞ। এটি সত্যিই অতুলনীয় এবং বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকেরা বিশ্বের সেরা।’
প্রবাসীসহ ও ফুটবলারদের নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের প্রত্যাশা, ‘আমরা এই দলকে ধরে আগামী বাংলাদেশের ফুটবল টিম গড়তে চাই। যাঁরা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়েরা রয়েছেন, তাঁদের মাধ্যমে এবং আমাদের টিমওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা একটি কথা প্রমাণ করতে চাই যে আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং সবার আগে আমার বাংলাদেশ।’
চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবলারদের ১ লাখ টাকা করে ও কর্মকর্তাদের ৫০ হাজার টাকা বোনাসের ঘোষণা দিয়েছেন বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। খেলোয়াড়দের ৫০ হাজার টাকা করে দেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছিল লিটন দাসকে। কিন্তু আইপিএল থেকে মোস্তাফিজের বাদ পড়া এবং উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ খেলা হয়নি বাংলাদেশ। তবে এই সংস্করণে লিটনের প্রতি আস্থা রেখেই তাঁর নেতৃত্বের মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে বিসিবি। এই সময় পর্যন্ত লিটনের ডে
৩ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দর থেকে ফুটবলারদের নিয়ে বাসটি সরাসরি হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারের উদ্দেশে রওনা হয়। সেখানে বাফুফের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের জন্য আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
পিঠের চোটের কারণে এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে এখনো মাঠে নামা হয়নি প্যাট কামিন্সের। চোটের সবশেষ অবস্থা জানতে টুর্নামেন্টের মাঝপথে দল ছেড়ে দেশে ফিরলেন এই অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার।
৮ ঘণ্টা আগে
সেই গোলই নিশ্চিত করে বাংলাদেশের হার। সবমিলিয়ে ম্যাচে আটটি সেভ দিয়েছেন মিলি। যেভাবে লম্বা সময় চীনের মতো দলকে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ তা কুর্নিশ পাওয়ারই যোগ্য। সিনিয়র এশিয়ান কাপের মতো তাই এখানেও দেখা গেল একই দৃশ্য।
৯ ঘণ্টা আগে