
ডায়াবেটিসের নীরব সতর্কবার্তা বলা হয় প্রি-ডায়াবেটিসকে। এর অর্থ হলো, রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। কিন্তু তা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য করার মতো যথেষ্ট বেশি নয়। সঠিক জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে এই অবস্থার পরিবর্তন করা সম্ভব। এ জন্য কিছু খাবার খাওয়া পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
মিষ্টি পানীয় ও মিষ্টি
কোমল পানীয়, প্যাকেটজাত জুস, ক্যান্ডি, কেক এবং ডেজার্টে প্রচুর চিনি থাকে। এসব খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট
সাদা রুটি, সাদা চাল ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার; যেমন নান, পাস্তা, বিস্কুট এজাতীয় খাবার। এগুলো খুব দ্রুত হজম হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়।
ভাজাপোড়া ও ফাস্ট ফুড
চিপস, ফ্রাই, সমুচা ও বার্গারে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালরি থাকে, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়িয়ে দেয়।
প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার
রেডি-টু-ইট মিল ও প্যাকেটজাত স্ন্যাকসে বেশি চিনি, অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে।
অতিরিক্ত মিষ্টি ফল ও শুকনো ফল
আম, আঙুর এবং কলার মতো ফলে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি থাকে। অন্যদিকে, শুকনো ফলে পানির অংশ মোটেই না থাকায় চিনির ঘনত্ব অনেক বেশি পরিমাণে থাকে।
অ্যালকোহল
এটি ধীরে ধীরে লিভারের কার্যক্রম কমিয়ে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হ্রাস করে। এ ছাড়া ডায়াবেটিসের ওষুধের কার্যকারিতায় বাধা দেয়।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৮৩৯ জন।
১ ঘণ্টা আগে
১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৬৭ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই আছে সিলেট; সেখানে মারা গেছে ১৩৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৪৯, ময়মনসিংহে ৭৪, খুলনায় ৩৩ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ১৬ বছর বয়সী ইকবাল। দিনের প্রায় পুরোটায় সময়ই সে কাটায় পুকুরের পানিতে। তার দাবি, পানি থেকে উঠে এলেই শরীরে তীব্র জ্বলুনি হয় তার। বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও এর কোনো সমাধান মেলেনি বলেও জানায় সে।
১ দিন আগে
দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য জমা হয়। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো নয়। এর বড় একটি অংশ মারাত্মক সংক্রামক ও বিপজ্জনক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই মেডিকেল বর্জ্য আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ দিন আগে