ক্রীড়া ডেস্ক

শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা তখন। ১-১ গোলে ড্র তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। সেই অন্তিম সময়ে গোল হজম করল ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) প্লে অফে আজ আটলান্টা ইউনাইটেডের কাছে হেরে বসল মায়ামি।
মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে আটলান্টা-ইন্টার মায়ামি ম্যাচটি ছিল তিন ম্যাচের প্লে অফ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজম করায় ২-১ গোলে হেরে বসল মায়ামি। ১০ নভেম্বরের ম্যাচটি এখন তাই পরিণত হয়েছে নকআউট পর্বে। ইন্টার মায়ামি-আটলান্টা যে-ই জিতবে, তারাই উঠবে সেমিফাইনালে।
মেসিদের ম্যাচ দেখতে মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ছিলেন প্রায় ৭০ হাজার দর্শক। শুরু থেকেই আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। ৩ মিনিটের মাথায় দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল ইন্টার মায়ামি। লুইস সুয়ারেজের বাঁ পায়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এখানে সুয়ারেজকে পাস দিয়েছেন লিওনেল মেসি। এখানে আটলান্টা গোলরক্ষক ব্র্যাড গুজানকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। ২২ মিনিটে আরেক দফা সুযোগ তৈরি করে মায়ামি। তবে এবার মায়ামি প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়লেও ফিনিশিং ঠিকমতো দিতে পারেননি।
পাল্টা আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি করে আটলান্টা। তবে ২৮ মিনিটে বক্সের বাইরে আটলান্টার আলেক্সেই মিরানচুকের দারুণ একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। ৪০ মিনিটে নিজেদের ভুলেই গোল হজম করে বসে আটলান্টা। গোল কিক নিতে গিয়ে আটলান্টা গোলরক্ষক গুজান মায়ামির ফেদেরিকো রেদোন্দোর পায়ে বল পৌঁছে দেন। সেই সুযোগ রেদোন্দো দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন। তিনি প্রথমে পাস বাড়িয়ে দেন হেক্টর মার্তিনেজকে। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন মার্তিনেজ।প্রথমার্ধ ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে মায়ামি।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতে না হতেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল মায়ামি। তবে গোলরক্ষক গুজান সতর্ক থাকায় সে দফায় রক্ষা পায় আটলান্টা। মেসির দল গোলের সুযোগ মিস করলেও আটলান্টা তা করেনি। ৫৮ মিনিটে দারুণ এক হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ডেরিক উইলিয়ামস। যেখানে তাঁকে (উইলিয়ামস) পাসটা কর্ণার থেকে ক্রস করে দিয়েছেন পেদ্রো আমাদোর। ব্যবধান বাড়াতে এরপর দুই দলই মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে বেশিরভাগ সুযোগই নষ্ট হয়েছে ফিনিশিংয়ে দুর্বলতার কারণে। অতিরিক্ত সময়ের ৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি পায় আটলান্টা। মিরানচুকের পাস রিসিভ করে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন জ্যান্ডি সিলভা।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর প্লে অফ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার মায়ামি-আটলান্টা ইউনাইটেড। চেজ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে আটলান্টাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ইন্টার মায়ামি। লুইস সুয়ারেজ, জর্দি আলবা—সাবেক দুই বার্সা তারকা মায়ামির হয়ে গোল দুটি করেছিলেন। আটলান্টার একমাত্র গোলটি সাবা লোবজান্দিজের পা থেকে এসেছিল।

শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষা তখন। ১-১ গোলে ড্র তখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। সেই অন্তিম সময়ে গোল হজম করল ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) প্লে অফে আজ আটলান্টা ইউনাইটেডের কাছে হেরে বসল মায়ামি।
মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে আটলান্টা-ইন্টার মায়ামি ম্যাচটি ছিল তিন ম্যাচের প্লে অফ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। সেই ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজম করায় ২-১ গোলে হেরে বসল মায়ামি। ১০ নভেম্বরের ম্যাচটি এখন তাই পরিণত হয়েছে নকআউট পর্বে। ইন্টার মায়ামি-আটলান্টা যে-ই জিতবে, তারাই উঠবে সেমিফাইনালে।
মেসিদের ম্যাচ দেখতে মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ছিলেন প্রায় ৭০ হাজার দর্শক। শুরু থেকেই আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। ৩ মিনিটের মাথায় দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল ইন্টার মায়ামি। লুইস সুয়ারেজের বাঁ পায়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এখানে সুয়ারেজকে পাস দিয়েছেন লিওনেল মেসি। এখানে আটলান্টা গোলরক্ষক ব্র্যাড গুজানকেও কৃতিত্ব দিতে হবে। ২২ মিনিটে আরেক দফা সুযোগ তৈরি করে মায়ামি। তবে এবার মায়ামি প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়লেও ফিনিশিং ঠিকমতো দিতে পারেননি।
পাল্টা আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি করে আটলান্টা। তবে ২৮ মিনিটে বক্সের বাইরে আটলান্টার আলেক্সেই মিরানচুকের দারুণ একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। ৪০ মিনিটে নিজেদের ভুলেই গোল হজম করে বসে আটলান্টা। গোল কিক নিতে গিয়ে আটলান্টা গোলরক্ষক গুজান মায়ামির ফেদেরিকো রেদোন্দোর পায়ে বল পৌঁছে দেন। সেই সুযোগ রেদোন্দো দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন। তিনি প্রথমে পাস বাড়িয়ে দেন হেক্টর মার্তিনেজকে। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন মার্তিনেজ।প্রথমার্ধ ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে মায়ামি।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতে না হতেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল মায়ামি। তবে গোলরক্ষক গুজান সতর্ক থাকায় সে দফায় রক্ষা পায় আটলান্টা। মেসির দল গোলের সুযোগ মিস করলেও আটলান্টা তা করেনি। ৫৮ মিনিটে দারুণ এক হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ডেরিক উইলিয়ামস। যেখানে তাঁকে (উইলিয়ামস) পাসটা কর্ণার থেকে ক্রস করে দিয়েছেন পেদ্রো আমাদোর। ব্যবধান বাড়াতে এরপর দুই দলই মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে বেশিরভাগ সুযোগই নষ্ট হয়েছে ফিনিশিংয়ে দুর্বলতার কারণে। অতিরিক্ত সময়ের ৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি পায় আটলান্টা। মিরানচুকের পাস রিসিভ করে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন জ্যান্ডি সিলভা।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর প্লে অফ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার মায়ামি-আটলান্টা ইউনাইটেড। চেজ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে আটলান্টাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ইন্টার মায়ামি। লুইস সুয়ারেজ, জর্দি আলবা—সাবেক দুই বার্সা তারকা মায়ামির হয়ে গোল দুটি করেছিলেন। আটলান্টার একমাত্র গোলটি সাবা লোবজান্দিজের পা থেকে এসেছিল।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
২ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৮ ঘণ্টা আগে