আবেগঘন সিদ্ধান্তটা ফাইনালের দুই দিন পরই নিয়েছিলেন মেসি

নিউজার্সিতে গত ১৯ জুলাই একদিকে স্পেন করছিল উল্লাস। ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে স্প্যানিশ ফুটবল দল যখন উদ্যাপনে ব্যস্ত, তখন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দি পল, এমিলিয়ানো মার্তিনেস থেকে শুরু করে কোচ লিওনেল স্কালোনির চোখজুড়ে অঝোরে ঝরতে থাকে পানি। ফাইনালে হৃদয়ভঙ্গের পরই মেসি অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
এক মাস আগের ফাইনালে ক্যামেরার লেন্স যখন মেসির দিকে ঘুরে যায়, তখন তাঁর দুই চোখ বেয়ে পানি পড়তে দেখা গিয়েছিল। ২০২২ সালে বিশ্বকাপজয়ী মেসি আরও একটি বিশ্বকাপ জয়ের কাছাকাছি এসেই পড়েছিলেন। কিন্তু সেটা আর হলো না। আজ এক মাস পর সামাজিক মাধ্যমে দিয়েছেন অবসরের ঘোষণা। আবেগঘন এক পোস্টে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন তিনি। পোস্টের একেবারে শেষে তিনি লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি লিখেছিলাম ২১ জুলাই, ফাইনালের ঠিক দুই দিন পর। আজ, আমার বাবাকে হারানোর পর, এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমি আগের চেয়ে বেশি নিশ্চিত।’
হারের দুই দিন পরই সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন এক বার্তা দিয়েছিলেন মেসি। শিরোপা ধরে রাখার মিশন সফল না হওয়ার হতাশা যে তাঁকে কতটা পুড়িয়েছিল, সেটা সেই পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ড। এরপর ৮ আগস্ট হারালেন মেসি তাঁর প্রাণপ্রিয় বাবা হোর্হে মেসিকে। হোর্হে শুধুই মেসির বাবা ছিলেন না, ছিলেন মেসির ব্যক্তিগত এজেন্টও।
এর আগে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে একবার অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেসি। চিলির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর হতাশায় আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলেছিলেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ছিল ২৯ বছর। কিন্তু এবার তাঁর বয়স হয়েছে ৩৯ বছর। ২০১৬ সালের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।










