ফাইনাল খেলবেন, কিন্তু শিরোপা ছোঁয়া হবে না—এই চিত্রনাট্যই যেন লিওনেল মেসির ভাগ্যে লেখা! এটিই তো ঘটেছে চারবার। অধরা শিরোপার লক্ষ্যে কাল রিও ডি জেনিরোতে ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়ে পঞ্চম ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি। শিরোপা জয়ের যখন রাজ্যের চাপ মেসির ওপর, তখন তাঁকে চাপমুক্ত করেছেন লিওনেল স্কালোনি। শিরোপা না জিতলেও আর্জেন্টিনার কোচের চোখে মেসিই সেরা।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে তাদের মাঠে ফাইনালের মুখোমুখি হওয়ার আগে চাপ থাকবেই। তবু ফাইনালের আগে নির্ভার থাকতে চান স্কালোনি। ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে খেলোয়াড়েরা মানসিকভাবে কতটা চাঙা, সেদিকেই নজর রাখতে চান লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, ‘এটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ খেলা। কিন্তু আপনাকে শান্ত, সতর্ক থাকতে হবে। জিততে হলে আপনাকে ভয়ডরহীন খেলাটা খেলতে হবে। মেসি এই টুর্নামেন্টে চাপহীনভাবে খুবই দুর্দান্ত খেলেছে। ফাইনালে আমরা মেসিনির্ভর হতে চাই না। সেরা প্রমাণ করতে মেসিকে শিরোপা জেতার দরকার নেই।’
শুধু স্কালোনিই নন, শিরোপা না জিতলে মেসিকেই সেরা বলছেন সাবেক আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক নেরি পাম্পিদো। মেসির প্রশংসা করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক বলেছেন, ‘মেসি এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলছে। মেসি দলের সবার চেয়ে আলাদা। আর্জেন্টিনার এই ফুটবল দলটা নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। সেরা প্রমাণ করতে হলে লিওকে কোপা জিততে হবে এমন কোনো কথা নেই।’

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আলোচনায় এনসো ফার্নান্দেসের টোপো জিও উদযাপন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে গোল করার পর যে ভঙ্গিতে উদযাপন করেছিলেন, ফাইনালের আগে আবারও একইভাবে দুই হাত কানের পেছনে নিয়ে সেই উদযাপন করতে দেখা গেল আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডারকে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে লাতিন আমেরিকার দল আর ইউরোপীয় দল যে কখনোই মুখোমুখি হয়নি, তা নয়। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স। ফরাসিদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবারও উঠেছে ফাইনালে। কিন্তু এবারের ব্যাপারটা যে একেবারে আলাদা। যে দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে, তাদের মধ্যে দ
২ ঘণ্টা আগে
আরও আগেই ইউরোপ অধ্যায়ের পাট চুকিয়েছেন লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালেই যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। এরপরও নবম ব্যালন ডি’অরের হাতছানি আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সামনে।
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন এক মাইলফলক গড়েছে ১৯৫৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলের পরা জার্সি। ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সাক্ষী এই ঐতিহাসিক জার্সিটি বৃহস্পতিবার সথেবির নিলামে বিক্রি হয়েছে ৪৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
৩ ঘণ্টা আগে